ইম্তালী
সকাল বেলা ইম্তালী ষ্টেশনে নামলাম। ষ্টেশনটি ঠিক্ দার্জিলিং ষ্টেশনের মত। ষ্টেশন এবং তার চারদিক দেখে মনে হল সত্যিই স্বর্গরাজ্যে এসেছি। শহরের যতটুকু দেখলাম সর্বত্র পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। ছোট রেল ষ্টেশনের একদিকে পার্বত্য ভূমি, অন্যদিকে সমতল, সুন্দর ঢেউ খেলানো ঘাসে পরিপূর্ণ সমতল ভূমি। স্নিগ্ধ বাতাস সমতল ভূমিকে আরও স্নিগ্ধ করেছিল। শ্বাস-প্রশ্বাস ফেলতে আরাম মনে হচ্ছিল। ষ্টেশনের একটু দুরেই সহর। সহর নীরব এবং নিস্তব্ধ। আমাদের দেশে যারা বায়ু সেবনার্থে সূর্য উঠবার পূর্বেই ঘর থেকে বেড়িয়ে আসেন সেই ধরণের বায়ু সেবনকারী একজন লোকও দেখতে পেলাম না। মনে হল স্বর্গভূমিতে বোধ হয় কেউ সকালে বেড়াতে বের হয় না।
ষ্টেশন থেকে বেড়িয়ে বড় পথটা ধরে এগিয়ে চললাম। একটু অগ্রসর হবার পরই দেখতে পেলাম একজন পাঠান তার ঘরের বারান্দায় ইজিচেয়ারে বসে সিগারেট টানছেন। পাঠানের গোঁফ দাঁড়ি ছিল না। চুলও সভ্য সমাজের মতই ছাটা ছিল। লোকটিকে পাঠান বলে অনুভব হয় না, মনে হল একজন ইটালীয়ান অথবা গ্রীক বসে আছে। পাঠান আমাকে ডাকলেন। বারান্দার পাশে সাইকেলটা রেখে দিয়ে তাঁর পাশে একখানা চেয়ার টেনে বসলাম এবং নিজের পরিচয় দিলাম। আমার