এজন্যে আমাদের আপশোষ করার মত কিছুই নেই। তারপরই আমার প্রতি লক্ষ্য করে বললেন “আপনিও ভ্রমণ করে আনন্দ পাচ্ছেন। আনন্দ সংবাদ দেবার জন্য আপনাকে বিরক্ত করব না। হয়ত আজই নয়ত আগামী কাল বিকালে আপনাদের চায়ের নিমন্ত্রণ করব। এখন পর্যটককে বিশ্রাম করতে দিলেই ভাল হবে।”
ডিকস্টা পর্তুগীজ পূর্ব আফ্রিকাতে ছোটবেলায় এসেছিলেন এবং সেখানে জীবনের প্রায় অর্দ্ধেকটা কাটাবার পর চিন্তা করে বুঝতে পেরেছিলেন সেখানে থাকা সম্ভবপর হবে না। সেখানে টেক্স এতই বেশি যে ব্যবসা-বাণিজ্য করে যা রোজগার হয় তার শতকরা নব্বই ভাগই পর্তুগীজ সরকারকে দিতে হয়। মজুরীও সেখানে কম পাওয়া যায়। সেজন্য তিনি পর্তুগীজ পূর্ব আফ্রিকা পরিত্যাগ করে রডেসিয়াতে আসেন, তখন রডেসিয়াতে শ্বেতকায়দের তত উপদ্রব ছিল না। তারা নিগ্রো অথবা ইণ্ডিয়ানদের তত ঘৃণা করত না। সেজন্যই তিনি রডেসিয়াতে থেকে যান এবং এদেশেরই একটি অর্দ্ধ-নিগ্রো স্ত্রীলোকের পাণিগ্রহণ করেন। অর্দ্ধ-নিগ্রো স্ত্রীলোকদের চালচলন সম্বন্ধে ইংগিতে কিছুটা জিজ্ঞাসা করলাম। আমার প্রশ্নের উত্তরে ডিকস্টা বললেন “স্ত্রী হিসাবে ওরা ভাল কিন্তু ধর্মের গণ্ডি ওদের সহ্য হয় না। ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত কর আর খৃষ্ট ধর্মে দীক্ষিত কর তারা সাধারণত স্ত্রীধর্মই প্রতিপাষাণ করে। পর্ব ইত্যাদির কোনও ধার ধারতে চায় না। মরণের পর স্বর্গ নরক বলে যে কিছু আছে তা তারা কিছুতেই মানতে রাজি নয়। পার্থিব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যটাকে তারা বড় করে দেখে। অর্দ্ধ-নিগ্রো ছেলেরাও সেইরূপ। তারা ধর্ম সম্বন্ধে একেবারে উদাসীন। ইসলাম ধর্মাবলম্বী ছেলেদের সংগে যদি খৃষ্টান মেয়ের বিয়ে হয় তবে তারা দেখে মেয়ের মায়ের পাওনা ঠিক ঠিক ভাবে ছেলে এবং তার মা বাবা দিল