তৈরী মদও খেয়েছিল। রাত দুটা পর্যন্ত এদের নৃত্য দেখে দোকানীর বিছানাতেই শুয়ে থাকলাম। দোকানী কোথায় শুয়েছিল সে সংবাদ আমার জানা ছিল না।
নিগ্রোদের কাছে বিয়ে করা মহা ঘৃণ্য কাজ। তারপর যখন যুবতী গর্ভবতী হয় তখন তার ছুঁয়া জলও কেউ স্পর্শ করে না। সন্তান হবার কয়েক মাস পর শিশুর মায়ের কাছে সবাই আসতে আরম্ভ করে। মেয়ের মা অথবা নিকটস্থ আত্মীয় ছাড়া গর্ভবতীর সন্নিকটে কেউ আসে না এজন্যই বোধহয় নিগ্রোদের ছেলেমেয়ের সংখ্যা খুবই কম। নিগ্রোদের ছেলেমেয়ের সংখ্যা খুব বেশী হয়ত দুই হতে তিন। এই নিয়মটী অসভ্য নিগ্রোদের মধ্যে এখনও আছে। যারা সভ্য হয়েছে তাদের মধ্যে আবার ছেলেমেয়ের সংখ্যা আমাদের চেয়েও বেশী। সভ্যদের ছেলেমেয়ের সংখ্যা যেমন বেশী হয় তেমনি শিশু মরকও বেশ আছে। অসভ্যদের মধ্যে শিশুমৃত্যু নাই বললেও চলে। সভ্য নিগ্রোদের শিশুরা যাতে না মরে সেজন্য স্থানীয় সরকার একটুও পরওয়া করে না। স্থানীয় সরকার নিগ্রোদের শিশুর মৃত্যু সংবাদ হয় আনন্দের সহিত গ্রহণ করে নয়ত একটা বন্যজীব মরেছে এ ধারণাই মনে পোষণ করে। নিগ্রোদের জন্য হসপিটাল কোথাও দেখি নাই।
সকালে ঘুম থেকে উঠেই বয়কে যুবক যুবতীর সংবাদ জিজ্ঞাসা করলাম। দোকানের চাকরটী বললে যুবক যুবতী নিকটস্থ একটী গ্রামে বাস করছে। সেখানে যুবক তার জন্য পূর্বেই ঘর তৈরী করেছিল এবং ভবিষ্যতে যুবক সেখানেই থাকবে। যুবকের চিরতরে গ্রাম পরিত্যাগের কথা শুনে অনেকক্ষণ ভাবলাল তারপর চিন্তার অবসান হল বটে কিন্তু গ্রাম পরিত্যাগ করার কারণ খুঁজে পেলাম না। যুবতীর বয়স কমের পক্ষে পঁচিশ যুবকও সেই বয়সেরই, এরূপ অবস্থায় নূতন গ্রামে নুতন