দক্ষিণ রডেসিয়ার পথে
বৃষ্টির নাম গন্ধ নেই। সর্বত্রই বসন্ত বিরাজমান। শীষবৃক্ষ হতে আরম্ভ করে পাইন বৃক্ষ পর্য্যন্ত সর্বত্রই সবুজ রঙ্গে ঘেরা। নিগ্রো, ইউরোপীয়ান, ইণ্ডিয়ান এমন কি আরব এবং তুরুকদের মাঝেও বসন্তের মাধুর্য্য পরিলক্ষিত হচ্ছিল। আমার শরীর ছিল অবসাদগ্রস্থ জেসন্য আর পথে চলতে ইচ্ছা হচ্ছিল না। শরীর চাইছিল বিশ্রাম কিন্তু বিশ্রাম নিলে সময়ের অপব্যবহার করা হয়, শরীর রক্ষা করতে হলে বিশ্রামের দরকার সেজন্য বিশ্রাম নিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
ন্যাসাল্যাণ্ডে পৌঁছার পর বিশ্রামের বেশ সুযোগ হয়েছিল, সেখানে শরীরটাকে শক্তিশালী করে নবউদ্যমে পর্তুগীজ পূর্বআফ্রিকার দিকে রওয়ানা হই। ইচ্ছা ছিল পর্তুগীজ পূর্ব-আফ্রিকাও বেশ ভাল করেই দেখি কিন্তু ব্যরাতে (Beira) পৌঁছার পর বুঝতে পারলাম পর্তুগীজ পূর্ব-আফ্রিকা একদম অনাবাদী। নিগ্রোরা পর্য্যন্ত সেদেশে থাকতে পছন্দ করে না। পর্তুগীজরা চায় না তাদের দেশে ঘন বসতি হউক। ভূতত্ত্ববিদ্গণ নাকি বলেছেন তাদের দেশ স্বর্ণখনিতে ভরপূর। পর্তুগিজরা সেজন্য ভয় পেত; কি জানি কোন বিদেশী, নিগ্রোদের সাহায্য নিয়ে স্বর্ণখনি আবিষ্কার করে ফেলে। মাটির নীচে সোনা আছে থাক সেখানে,