মদ খাবার জন্য মাতাল যেমন আগ্রহান্বিত হয় আমিও ক্রিম খাবার জন্য আগ্রহান্বিত থাকতাম, ক্রিম খেলে শরীর ভাল থাকত তাই ক্রিম খাওয়ার এত আগ্রহ।
গুজরাতী ভদ্রলোকের বাড়ীতে ফিরে এসে দেখতে পেলাম তার বসবার ঘরে অনেক লোক তর্কবিতর্ক আরম্ভ করেছে। তর্কের বিষয়বস্তু ইলেকশন।
কনসারভেটিভ্ পার্টির পক্ষে কি শোসিয়েলিষ্ট পার্টির পক্ষে ভোট দেওয়া হবে এই নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে।
অপরের নাম জিজ্ঞাসা করা আমার অভ্যাস নাই, সেজন্য যখন গুজরাতী ভদ্রলোকের বাড়ীতে গিয়েছিলাম তখন তাঁর নামও জিজ্ঞাসা করি নাই। যখন তর্কবিতর্ক হচ্ছিল তখন একজন লোক মগনভাই বলে গুজরাতী ভদ্রলোককে সম্বোধন করছিল। দেখলাম মগনভাইএর বাড়ীটা একটা আড্ডাখানা। চা সিগারেট চলছে অনবরত, অনেকে হয়ত ভাববেন মগনভাই সকলকে সিগারেট বিতরণ করছিলেন, বিষয়টা কিন্তু বিপরীত। মগনভাই সিগারেট খেতেন না। যারা এসেছিলেন তাদেরই পকেটে কুড়ি সিগারেটের পেকেট ছিল। কুড়ি সিগারেটের দাম এক শিলিং মাত্র। রডেশিয়ার ভারতবাসীর পক্ষে অতি সস্তা।
আড্ডাস্থলে বসলাম না, মগনভাইকে সংগে নিয়ে ভেতরে চলে গেলাম। কথা প্রশংগে জিজ্ঞাসা করলাম এখানে আপনাদের আচার ব্যবহার কিরূপ?
কি জানতে চাইছি মগনভাই বুঝতে না পেরে আমার মুখের দিকে হাঁ করে চেরে থাকলেন।
পুনরায় তাকে বললাম “আপনাদের মধ্যে কি জাতিভেদ নেই?
এখানে আমরা জাতিভেদ মানি না। চর্মকারের ছেলের সংগেও