বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:নিগ্রো জাতির নূতন জীবন - রামনাথ বিশ্বাস (১৯৪৯).pdf/৫১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৪৭
নিগ্রো জাতির নূতন জীবন

ব্রাহ্মণের মেয়ের বিয়ে হয়। খাবারের দিক দিয়েও তথা। যা হজম করা যায় তাই যদি খাওয়া যায় তবে তাতে কেউ বাঁধা দেয় না। সেজন্যই আমরা সুখে আছি। আমাদের লোক সংখ্যাও বেশ বাড়ছে। দুঃখের সহিত বলছি এখানে ভারতীয় ডাক্তার নেই। যদি ভারতীয় ডাক্তার থাকতেন তবে হয়ত আমাদের শিশুদের একটিরও মৃত্যু হত না। ভদ্রলোক কাছে এসে চুপে চুপে বললেন “সাদা ডাক্তারদের বিশ্বাস করা চলে না, তারাই বোধহয় আমাদের শিশু হত্যা করে।”

 এটা নেহাৎ বাজে কথা মশাই।

 আমি যা বলছি তাই ঠিক। দক্ষিণ আফ্রিকাতে গেলে এ বিষয়ের প্রমাণ পাবেন।

 দক্ষিণ আফ্রিকাতে গিয়ে ভদ্রলোকের কথা শুধু বুঝতে সক্ষম হই নাই স্বচক্ষে একটি ঘটনা দেখতে পেরে শিহরে উঠেছিলাম। দুখের বিষয় সকল সময় সকলের কথা বিশ্বাস করতে প্রবৃত্তি হত না। এসব দুষ্কর্ম বুয়রদের দ্বারাই সম্ভব হয়। বৃটিশ অথবা ফরাসীরা এরূপভাবে নরহত্যা করেছে বলে কেউ বলে না। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকার ভারতবাসী কোন বুয়র ডাক্তারকে ডাকে না, এই যা মন্দের ভাল। রডেসিয়াতেও বেশি ভিজিট দিয়ে বৃটিশ ডাক্তার ডাকবার প্রথা চালু হয়েছে। বুয়র ডাক্তার ডেকে অকালে কেউ মরতে রাজি হয় না।

 বিদায়ের পূর্বদিন বিকাল বেলা এক সভা হয়। কাকে ভোট দিতে হবে তাই নিয়ে বেশ বাকবিতণ্ডা চলতে থাকে। সোসিয়ালিষ্ট পার্টির প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত ছিলেন। ভোট কাকে দিতে হবে তাই নিয়ে যখন তর্ক চলছিল তখন একজন আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন আপনার এসম্বন্ধে মত কি বলুন?

 আমি চুপ করে থাকার পাত্র নই। অনেক সময় অনেকে নিজের