স্বার্থ বজায় রাখার জন্য নীরবতা পছন্দ করে। আমারও এখানে বেশ বড় রকমেরই একটা স্বার্থ ছিল। মুখ খুবলার পূর্বেই মনে হল আমার কথা শুনে এরা যদি মোটেই চাঁদা না দেয় তবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে হবে। মনটা দুর্বল হল। একটু যেতে না যেতেই শক্তি এল—বললাম আপনাদের ভোটের কোনও মূল্য নেই। আপনারা ভোট দিতে পারেন, নিজের লোক পাঠাতে পারেন না। আপনাদের জানা উচিত নিগ্রোরা ভোটের অধিকারী নয়। আপনাদের প্রথম কর্তব্য হবে নিগ্রোদের টেনে এনে দল বাড়ানো তারপর ভোটের প্রার্থী হওয়া। যে দেশে শতকরা পাঁচজন মাত্র ইউরোপীয়ান, যে দেশের পার্লামেণ্টে শুধু ইউরোপীয়ানরাই প্রতিনিধি হিসাবে প্রবেশ করতে পারে সে-দেশে ডেমোক্রেসী যে কি তা আপনারাই বুঝেন। ভোট পায় এবং ভোট দেয় সেই দেশগুলিতেই যে-সকল দেশে মানুষের স্বাধীনতা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। এদেশে এখনও নিগ্রো এবং ইণ্ডিয়ানদের মানুষ বলে স্বীকার করে নেওয়া হয় নাই। অতএব এখানে ভোটের কোন মানেই হয় না। আমি মনে করি আপনারা কাউকে ভোট না দিয়ে নিগ্রোদের কাছে টেনে আনবার চেষ্টা করুন তাতেই আপনাদের ভোট দেওয়া হবে। নিগ্রোরা যদি আপনাদের কাছে দাঁড়াতে পারে তবে হয়ত একদিন আপনাদেরও প্রতিনিধিও পার্লামেণ্টে যেতে পারবেন।
আমার কথা শুনে অনেকেই বললেন যিনি আমাদের হয়ে পার্লামেণ্টে যাচ্ছেন তিনি একজন কমিউনিষ্ট। নিপীড়িত জাতের যাতে উন্নতি হয় তারই চেষ্টা করছেন। তাকে ভোট না দিলে হয়ত আমাদের ভোটাধিকারই থাকবে না। আমার আর ভাল লাগল না। শুধু বললাম আপনাদের ইচ্ছা অনুযায়ী আপনারা কাজ করুন কিন্তু মনে রাখবেন এরূপ ভোটের কোন মূল্য নাই। আজ যিনি কমিউনিষ্ট সেজে আপনাদের