গ্রাম হতে গ্রামান্তরে
সামমেই সুন্দর একটি নিগ্রো গ্রাম। গ্রামের মধ্যে কয়েকখানা ঘর। নিগ্রোদের ঘর গোল হয়, তারই মধ্যে একটি চতুষ্কোণ ঘরে মুদির দোকান। মুদির দোকানের মালিক একজন শ্বেতকায়, কর্মচারী একটি নিগ্রো, মাসিক মাইনে তিন শিলিং এবং দৈনিক দেড় পাউণ্ড করে ভুট্টার ছাতু পায়। লোকটি বড়ই বিশ্বস্ত এবং শ্বেতকায় ভক্ত। কথা প্রসংগে বলল দোকানের মালিক বড়ই উদার। তিনি শিক্ষিত নিগ্রোদের মোটেই পছন্দ করেন না। পাশের ঘরে কয়েকজন নিগ্রো বসা ছিল, তারা নাকি শিক্ষিত। কে শিক্ষিত এবং কে অশিক্ষিত তা জানবার প্রবৃত্তি লোপ পেয়েছিল। পরিশ্রান্ত এবাং ক্ষুধার্ত অবস্থায় এই ধরণের কথা নিয়ে সমালোচনা করা চলে না।
দোকানের বয়কে জিজ্ঞাসা করলাম “এখানে খাওয়া থাকার বন্দোবস্ত করে দিতে পার?”
নিশ্চয়ই স্যার, কি চান বলুন?
শুইবার বিছানা এবং সামান্য কিছু খাবারের সংস্থান হলেই হল।
নিগ্রো লোকটি বেশ ভাল করে চিন্তা করল তারপর বলল আড়াই শিলিং হলেই আজকের মত খাওয়া থাকা হয়ে যাবে। আড়াই শিলিং নিগ্রোর হাতে দিয়ে ঘরের মধ্যে বসে থাকলাম। বয় সর্বপ্রথম বিছানা