জানত এই বিবাহের ভবিষ্যৎ পরিণাম কি? রডেসিয়ার ইউরোপীয়ানরা তাকে প্রকাশ্যে হত্যা করত না, কিন্তু অপ্রকাশ্যে তার মৃত্যু অনিবার্য ছিল। সেজন্য সে শ্বেতকায় ভদ্রলোকের বাড়ীতে চাকুরী করা ভাল হবে না ভেবে স্বগ্রামে চলে যায় এবং একটি নিগ্রো যুবতীকে বিবাহ করে ঘর-সংসার করতে থাকে। যুবক ভাবছিল এখানেই শ্বেতকায় যুবতীর প্রেমের সমাধি, কিন্তু তা হল না। বৎসর শেষ না হতেই কোথা হতে সেই শ্বেতকায় যুবতী তাদের গ্রামে আসল এবং যুবককে দেখা মাত্র অন্য আর দুটি নিগ্রোর সাহায্যে ধরিয়ে এনে মোটরে বসাল। নিগ্রো যুবক পলায়ন করল না, সে জানত পালিয়ে কোনই লাভ হবে না। অনেক নিগ্রো যুবক শ্বেতকায় যুবতীদের কোপানলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে, তারও জীবনের শেষ হবে যদি শ্বেতকায় যুবতীর অবাধ্য হয়।
নিগ্রো যুবক চুপচাপ করে মোটরে বসে থাকল। মোটরকার ক্রমাগত চলে ব্যরা নামক পর্তুগীজ বন্দরে এসে ঠেকল! তারপর দুজন নিগ্রো তাকে একটি জাহাজের কেবিনে প্রবেশ করিয়ে দিয়ে কেবিনের দরজা বাহির হতে বন্ধ করে দিল। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জাহাজ কলম্বোর দিকে রওয়ানা হল। বন্দর হতে জাহাজ বাহির হয়ে উন্মুক্ত সাগরে পৌঁছার পর নিগ্রো লোকটিকে মুক্ত করে দেওয়া হল। শ্বেতকায় যুবতী নিগ্রো যুবকের সংগে তখনও কোন কথা বলে নাই। জাহাজ কলম্বো পৌছার পর নিগ্রো যুবককে নিয়ে যুবতী শহরে যায় এবং সেখানে স্বামী-স্ত্রীরূপে বাস করতে থাকে। সুখের বিষয় নিগ্রো যুবক ইংলিশ ভাষায় চিঠি-পত্র লিখতে পারত। নিগ্রো যুবক গ্রাম হতে উধাও হয়ে যাবার কয়েক মাস পরে তার স্ত্রীর কাছে এক পত্র আসে। সেই পত্রে নিগ্রো যুবক তার স্ত্রীকে জানিয়েছিল দরকারবোধে সে অন্য স্বামী গ্রহণ করতে পারে। কলম্বো অতীব সুন্দর বন্দর এবং সেখানে নিগ্রোদের