ব্যবস্থা করতে থাকেন। তাঁর ব্যবহার আমার মোটেই ভাল লাগে নাই। সেজন্য তাকে কয়েকটি কটুবাক্য বলতে বাধ্য হই।
আপনি কি বুয়র-গৃহে প্রতিপালিত?
মহিলা ক্রোধ সম্বরণ করতে না পেরে বললেন “আমি হবোদের ‘Hobo’ পছন্দ করি না।”
আমার জীবনে এই সর্বপ্রথম হবো শব্দটি শুনে দুঃখিত না হয়ে হবো কাকে বলে তাই জানতে আগ্রহ প্রকাশ করি।
মহিলা বললেন তোমার মত যারা এক স্থান হতে অন্য স্থানে ঘুরে বেড়ায় এবং কোনও কাজ করে না তারাই হল হবো। হবোদের চরিত্র দোষ নানা দিকেই থাকে। তুমি যে চোর নও তার প্রমাণ কি?
মহিলাকে বললাম “আমেরিকাতে হবোরা! চুরি ও ছেচরামি করে এটাই বোধহয় আপনার বক্তব্য বিষয়। আমি কিন্তু চোর নই, আমার কাছে টাকা পয়সাও বিস্তর আছে। যদি স্থানীর অসভ্য নিগ্রোরা এখানে একটা হোটেল খুলত তবে আপনাদের আশ্রয় চাইতে হত না।
স্ত্রীলোকটি আর ধৈর্য রাখতে পারলেন না, একেবারে চামুণ্ডা রূপ ধরে বললেন “তুমি কি খাবার থাকবার জন্য দশ শিলিং দিতে পারবে?”
সেদিন আমার পকেটে চল্লিশ পাউণ্ড এবং ব্যাঙ্কের চেক নিয়ে মোট দু’শত পাউণ্ড ছিল। মহিলার হাতে পাঁচ পাউণ্ডের একখানা নোট ফেলে দিয়ে বললাম এবার আমার পালা ও এই নিন পাঁচ পাউণ্ড এবং এর বদলে আমাকে উত্তম থাকবার ও খাবার বন্দোবস্ত করে দেন। আরও বলছি আমি যে সৎ লোক তার প্রমাণার্থে আমার কাছে অনেক দলিল আছে। পুলিশ ডেকে আনুন, পুলিশের সামনেই আমার সততার পরিচয় দেব।
মহিলার চক্ষে যেন সরিষাফুল ফুটে উঠল। তিনি কি করবেন তা