অন্যে এসে তা নেবে কেন? এই হল পর্তুগীজদের ইচ্ছা। সেজন্যই নানা রকমের টেক্স বসিয়ে মামুলী নিগ্রোদেরও নাজেহাল করতে একটুও সঙ্কোচ করত না।
ন্যাসাল্যাণ্ডের দক্ষিণ সীমান্ত হতে একটি রেলপথ ব্যরার দিকে গিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার রেলপথের সংগে মিলিত হয়েছে। বাইসাইকেলে আগাগোড়া আফ্রিকা দেশটা ভ্রমণ করার ইচ্ছা অনেকদিন হতেই কমে গিয়েছিল সেজন্য রেলপথ পাওয়া মাত্র রেলভ্রমণের ইচ্ছা হল। কেন ইচ্ছা হল অন্ধকারের আফ্রিকাতে বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, সেজন্য এখানে পুণরাবৃত্তি করা হল না।
আফ্রিকার অন্তস্থল ন্যাসাল্যাণ্ডের সীমা পার হবার পর যখন পর্তুগীজ পূর্ব-আফ্রিকাতে প্রবেশ করলাম তখনই বুঝলাম এদেশের সরকারী কর্মচারী এবং রেলওয়ে কর্মচারীর মধ্যে একই নীতি বর্তমান। সকলেই আমাকে এড়িয়ে চলতে চায়, এমন কি কোন্ গুদাম হতে আমার সাইকেলটি নিতে হবে সে কথাটির সুষ্পষ্ট উত্তর দিতে কেউ ইচ্ছুক নয়। এতে না ঘাবড়িয়ে গুদামে গুদামে হানা দিতে আরম্ভ করলাম। হঠাৎ পথের উপর দেখা হল এক জন তামিল ভদ্রলোকের সংগে। ভদ্রলোক একটু মদ্যপায়ী। সকাল বেলাতেই তার মুখে গোলাবী নেশার রক্তিমাভ চাকচিক্য ফুটে উঠছিল। আমাকে দেখামাত্রই তিনি এগিয়ে আসলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন “আপনি কি ইণ্ডিয়ান?”
হাঁ স্যার, আমি আপনাদেরই লোক। বোধহয় শুনেছেন একজন ইণ্ডিয়ান বাই-সাইকেলে পৃথিবী ভ্রমন করছে, আমিই সেই লোক ৷
সে সংবাদ আমি পেয়েছি এবং আপনাকে নেবার জন্যই এখানে এসেছি। আপনার সাইকেলটা নিয়ে আসি চলুন।
ভদ্রলোকের কথায় হাসলাম কিন্তু কিছুই বললাম না, তাঁর সংগে