পেটেল শব্দ ব্যবহার করতে অনেকেই নারাজ। যাকগে বয়ে গেল, আমি এবং আমার মত যারা একত্রিত হই সবাই নিগ্রোদের নিয়েই থাকি। মাটির সংগেই হল আমাদের সম্বন্ধ, ব্যবসারীরা যদি আমাদের ঘৃণা করে আনন্দ পায় তাতে আমাদের দুঃখ করার কিছুই নাই। আপনাকে এদেশে নুতন বলে মনে হচ্ছে, এখন যাচ্ছেন কোথায়?
সেলিসবারী যাব, মাত্র আর দশ মাইল গেলেই হল।
মণিভাই খুব দুঃখ করে বললেন তার মাত্র একখানা ঘর এবং তাতে চারটি রুম। প্রত্যেকটি রুমেতে লোক থাকে। যদি একটি রুম খালি থাকত তবে তিনি আমাকে থাকতে অনুরোধ করতেন। কাজে ব্যস্ত, পেটেলের কাছে বসে থাকলে তার সময়ের অপব্যবহার করা হবে মনে করে আবার পথে আসলাম এবং কোথাও বিশ্রাম না করে সরাসরি সেলিসবারী শহরে পৌঁছলাম।
সেলিসবারী বেশি বৎসরের পুরাতন শহর নয়। এমন কি পঞ্চাশ বৎসরও হয় নাই। তবুও সেখানে পথগুলি আঁকাবাকা, ঘরগুলির গঠন নানা রকমের। যার যেভাবে আর্থিক উন্নতি হয়েছে সে সেইভাবেই বাড়ী তৈরী করেছে। কোনও বাড়ীতে কয়লা দিয়ে পাক করা হচ্ছে আর কোথাও ইলেকট্রিক উনুনের রান্না হতে আরম্ভ করে স্নানের জলও গরম করা হচ্ছে। আমেরিকাতে এই ধরণের শহর একটিও নাই। আমেরিকার সর্বত্র সমভাবে শহরের গাম্ভীর্য বজায় রাখা হয়েছে। বৈদ্যুতিক গ্যাস, মডারেট সেনিটেশন্ সর্বত্র বিরাজমান। সেলিসবারীর মত ধনী শহরে খাটা পাইখানাও রয়েছে।
শহরে পৌঁছেই পেটেলের বাড়ীতে থাকা ও খাওয়ার বন্দোবস্ত করে পোষ্টাফিসে গেলাল। নেটিভ এবং ভারতীয়েরা যেস্থানে দাঁড়িয়ে পত্র আদান-প্রদান করে সেখানে গিয়ে আমি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করলাম আমার