বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:নিগ্রো জাতির নূতন জীবন - রামনাথ বিশ্বাস (১৯৪৯).pdf/৭১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৬৭
নিগ্রো জাতির নূতন জীবন

কাছে পৌঁছলাম। শ্বেতকায় নিগ্রো বলছিল দু’ঘণ্টা পর যেন আমাদের ফিরিয়ে নিতে আসে। বাঁধা দিয়ে বললাম আধ ঘণ্টার বেশি আমি থাকব না। সে যেন আধ ঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসে।

 টেক্সী হতে নেমে পেছন দ্বার দিয়ে আমরা ক্লাবের ভিতর পৌছলাম। ক্লাবের ভেতর অনেকগুলি রুম দেখতে পেলাম। কোন রুমে জাঁকালো আলো আর কোন রুমে মিটমিটে। কোথাও নিগ্রো যুবক বসে আছে আর কোথাও ইউরোপীয়ান যুবতীরা ফিস্ ফিস্ করে কথা বলছে। আমরা রুমগুলি দেখে সর্বশেষ রুমে গিয়ে বসলাম। সেখানে কেহই ছিল না। সেখানে পৌঁছেই শ্বেতকায় নিগ্রোকে বললাম প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আনতে বল। সে তৎক্ষণাৎ কলিং বেল বাজাল এবং একজন ইউরোপীয়ান বয় আসল। তাকে নানা রকমের খাদ্য একটার পর আর একটা আনতে বললাম। সুপ, কাটলেট, আলু সিদ্ধ, মাছ ভাজা, পায়স এবং সর্বশেষে কাফি খেয়ে ঘড়িতে দেখলাম আধ ঘণ্টার চেয়ে বেশি হয়ে গেছে। বিল চুকিয়ে দিয়ে শ্বেতকায় নিগ্রোকে বললাম “এখানে আর বসা চলে না, আমার পক্ষে নাইট ক্লাবে যা দেখার তা দেখা হয়ে গেছে এখন ঘরে চল। সে প্রতিবাদ করে বলল “তা কি করে হয়, এখনও ম্যানেজারের সংগে দেখা হল না।” আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম “যদি আমার সংগে না আস তবে আমি চললাম, এখানে আর থাক! চলে না।

 সাত রকমের খাদ্য খাবার একমাত্র কারণ হল আধ ঘণ্টা সময় কাটানো। যা দেখেছি তাতেই যথেষ্ট হয়েছে, এরবেশি দেখলে হয়ত পেট ফেটে মারা যাব। শ্বেতকায় নিগ্রো আমার কথার ভাবার্থ বুঝতে পারল না। তাকে বুঝানোও শক্ত কাজ ছিল, সেজন্য তাকে টেনে নিয়ে ক্লাব হতে বের হয়ে টেক্সীতে বসলাম। টেক্সী যখন নাইট ক্লাব