হতে অলেক দুরে তখন শ্বেতকায় নিগ্রোকে বললাম এরূপ ঘটনা পৃথিবীর সর্বত্রই ঘটে নুতন কিছুই নয়। তোমাদের যে বিদ্যালয় তাতে যে সমস্ত ছেলেমেয়ে পড়ে তাদের মুখ দেখলেই এসব নাইট ক্লাবের অস্তিত্ব আছে বুঝতে পারা যায়, এসব স্থানে বেশিক্ষণ বসতে নাই, শ্বেতকার নিগ্রো দুঃখিত হল, কিন্তু সেরূপ দুঃখের কোন মূল্য নাই।
ঘরে ফিরে আসার পর লসমনের স্ত্রী নাইট ক্লাব সম্বন্ধে একটি কথাও আমায় জিজ্ঞাসা করলেন না। পরের দিন লসমনকেও এ বিষয়ে একেবারে নির্বিকার থাকতে দেখে আমাকেই এ সম্বন্ধে প্রথম কথা বলতে হল। লসমন আমাকে হুসিয়ার করিয়ে দিয়ে বললেন এসব কথা ঘরে বসে বলা কওয়া চলে না। চলুন মাঠে যাই সেখানেই এসব কথা বলার উপযুক্ত স্থান। যাদের আমরা অসৎ বলি, সমাজ হতে তাড়িয়ে দেই তাদের পক্ষে এরূপভাবে সংযত ভাব দেখানো নিশ্চয়ই সুখের বিষয়। লসমনের বাড়ী হতে বিদায়ের দিন লসমন বলেছিলেন “আপনি আর কখনও নাইট ক্লাবে যাবেন না। নাইট ক্লাবে গেলে আপনার দুর্ণাম হবে এবং আমাদেরও এ দুর্ণামের বোঝা বইতে হবে, কারণ এখন আপনি আমাদের মধ্যে আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকতে বাধ্য হবেন। কি ভেবে লসমন আমাকে তাদের মধ্যে থাকতে হবে বলেছিলেন তার কারণ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। কারণ যাই হউক না কেন যতই দক্ষিণের দিকে চলছিলাম ততই মনে হচ্ছিল অর্দ্ধ-নিগ্রোরা বেশ শিক্ষিত এবং তথাকথিত উচ্চবর্ণের হিন্দুরা প্রাচুর্যে মদমত্ত।
সেলিসবাড়ীতে দেখার মত কিছুই ছিল না, সেজন্য অন্যত্র যাওয়াই ভাল মনে করছিলাম। কথা প্রসংগে একদিন কয়েকজন অর্দ্ধ-নিগ্রোকে বললাম ভিক্টোরিয়াতে গিয়ে জাম্বাবী ধ্বংসস্তূপ দেখা অবশ্য কর্তব্য। ভিক্টোরিয়া ফলস্ না দেখলেও চলবে না। আমার প্রস্তাব শুনে একজন