আমাদের জীবনের মূল্য কত? যদি জীবনটা দেশের কাজে লাগাতে পারি তবেই মনে করব জীবন সার্থক হয়েছে।
অন্য ছেলেটি এল না?
না, তাকে রেখে এসেছি। সে কিছু লেখাপড়া শিখুক। বড় বড় বই পড়ে সে আমাদের বুঝাবে। আমরাও প্রাইভেট্ পড়ব। তবে সর্বসাধারণের মধ্যে আমাদের থাকতেই হবে নতুবা আমাদের উন্নতি হবে না। সুখের বিষয় আমরা বেশি মাইনে পাই না। তাই আমরা যে-কোনও দিকে চলে যেতে পারি। আমরা বিদেশেও যেতে চাই না। দেশে থেকেই দেশের উন্নতি করব।
ছেলে দুইটির বয়স উনিশ-কুড়ি হয়েছে। এরই মধ্যে তাদের মনোনীত স্ত্রী ঠিক হয়ে গেছে। পথের পাশেই একজনের মনোনীত স্ত্রী থাকত। সেজন্য আমরা তিনজনে সে বাড়ীতেই উঠলাম। এরা হল বাস্তু। শিক্ষার দিক থেকে এরা অনেকটা উন্নতি করেছে। একজনের নাম ছিল মার্টিন। তারই মনোনীত স্ত্রীর বাড়ীতে গিয়েছিলাম। মার্টিন তার খৃষ্টান নাম পরিত্যাগ করে জব্বো নাম নিয়েছিল। আমি তাকে জব্বো বলেই ডাকতাম! আমরা যখন জব্বোর ভাবী শ্বাশুরী বাড়ীতে পৌঁছলাম তখন সন্ধ্যা হয় হয়। জব্বোর মনোনীত স্ত্রী তখন স্নান করে এক কলসী জল মাথায় করে নিয়ে ঘরে ফিরছিল। জব্বোর সংগে তার স্ত্রীর দেখা হওয়া মাত্র সে তাকে আলিঙ্গন করল এবং গালে ছোট্ট চুমু খেল। তার স্ত্রী ঘরে গিয়ে একটি শিলিং এনে দিল এবং কি কি জিনিস আনতে হবে বলল। আমি জব্বোকে বললাম শিলিংটি ফিরিয়ে দাও এবং আমার কাছ থেকে শিলিং নিয়ে আমি যা আনতে বলি তাই নিয়ে এস। জব্বো গেল না, গেল তার সহাধ্যায়ী নাম মেপ্পা। মেপ্পা আমার আদেশ মত খাদ্যদ্রব্য আনতে গেল।