তোমার সংগে কথা বলতে আসবে, যদিও তারা নিগ্রো সমাজের উন্নতিকামী তবুও তাদের মত এবং পথ ভিন্ন রকমের। এসব লোকের মতিগতি যাতে বদলায় সেজন্যই ডেকে আনতে যাচ্ছি। মেপ্পার কথায় রাজি হলাম এবং অন্য আর একটি রাত এখানে কাটাতে মনস্থ করলাম। জব্বোর ভাবী স্ত্রীর নাম মেরিয়া। জব্বো এবং মেপ্পা চলে যাবার পর মেরিয়া স্নান করতে গেল। স্নান করে ঘরে ফেরবার পথে আমার জন্য কতকগুলি বনজ ফল নিয়ে আসছিল। বনজ ফলগুলি আমার সামনে রেখে দিয়ে সে রান্না আরম্ভ করল। যখন মেরিয়া রান্না করছিল তখন সে আমাকে জিজ্ঞাসা করল “বানা তুমি আমাদের এরূপ সুন্দর উপদেশ দাও কেন? তোমার উপদেশে তোমার দেশের লোকের কি কোম ক্ষতি হবে না?”
না।
মেরিয়া তার কারণ জিজ্ঞাসা করল। তাকে যুক্তি দিয়ে সকল কথা বুঝিয়ে বলায় সে সুখী হয়েছিল। কতক্ষণ পর মেরিয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম “এমন সুন্দর করে ইংলিশ ভাষায় কথা বলা কোথা হতে সে শিক্ষা করেছে?
মেরিয়া বলল “দু’ বৎসরের মত সে নিগ্রো স্কুলের ছাত্রী ছিল।
দিনটা বেশ পরিষ্কার ছিল। ঘরের বাইরে বসে আরাম করছিলাম। জব্বোর স্ত্রী আমার হাত ও পায়ের নখ হতে ডুডু পোকা নিষ্কাসন করার সময় বিদেশের সংবাদ জিজ্ঞাসা করল। যতটুকু সম্ভবপর ততটুকুই বলতেছিলাম কারণ সে ইংলিশ ভাষায় ততটুকু দক্ষ ছিল না। আমরা যখন কথা বলছিলাম তখন যে-সকল নিগ্রো পথ দিয়ে যাচ্ছিল তারা জব্বোর স্ত্রীকে ঠাট্টা করে বলল “এরূপ আধমরা বিদেশী বুড়াটাকে শেষটায় বিয়ে করলে নাকি?” জব্বোর স্ত্রীও তেড়ে জবাব দিল