আপনার কথা শুনে দুঃখিত হলাম স্যার। এরূপ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু বর্তমানে যারা এদেশে বাস করছেন তাদের মধ্যেও একতার অভাব দেখতে পাচ্ছি। আপনারা তামিল অথবা তেলেগুদের আমল দেন না কেন?
তারা নিগ্রোদের সঙ্গে মেলামেশা ত করেই উপরন্তু নিগ্রো খাদ্য খেতে কোনরূপ দ্বিধা বোধ করে না। এই ধরণের ব্যভিচারী লোকের সংগে মেলামেশা করা কি ভাল হবে?
ভালমন্দ এখন দেখবেন না, বুঝবেন তখনই যখন তামিল এবং তেলেগুরা নিগ্রোদের সংগে হাত মিলিয়ে আপনাদের সাজানো বাগানে আগুন দেবে।
কি বলছেন মশাই, আপনি যে আমাদের শত্রু।
আমি আপনাদের শত্রু নই মিত্র, পরম মিত্র। যদি মিত্র না হতাম তবে শুধু চাঁদা উঠিয়েই বিদায় নিতাম। এসব কথা বেশি বলা-কওয়া করে লাভ নাই। আপনার ঘরের সামনেই একটি তামিল বসে আছে, তাকে জিজ্ঞাসা করুন তারা আপনাদের প্রতি কিরূপ মনোভাব পোষণ করে।
এদের মনোভাব কিছুটা জানি, কিন্তু ঘরে আগুন দেবে এটা বিশ্বাস করি না।
পাশে বসা তামিল ছেলেটি আমাদের কথা গিলতে বসেছিল না। সে আমাকে তার বাড়ীতে খাবার খেতে নিয়ে যেতে এসেছিল। শুধু আমাকেই সে নিমন্ত্রণ করে নাই, সংগের নিগ্রোদেরও নিমন্ত্রণ করেছিল। ইণ্ডিয়ানরা কখনও নিগ্রোদের নিজের বাড়ীতে নিমন্ত্রণ করে না। কিন্তু এই তামিল যুবক নিগ্রোদের বিশেষ পরিচয় পেয়ে নিনন্ত্রন করতে সঙ্কোচ বোধ করছিল না।
গুজরাতী ব্যবসায়ী যখন শুনলেন সংগের নিগ্রোদ্বয় তামিলের বাড়ীতে আমার একই সংগে খাবে তখন তিনি দুঃখিত হলেন। নিগ্রো সংগীদ্বয়