বুলোবায়ো শহর বড়ই সুন্দর। তিন দিকে পাহাড় একদিকে ঢালু, শহরটি সমুদ্র সমতল হতে বহু ঊর্দ্ধে অবস্থিত থাকায় আবহাওয়া বড়ই ভাল লাগছিল। ইণ্ডিয়ানদের ব্যবসা কেন্দ্র ঢালু ভূমিতে অবস্থিত থাকায় সকালের স্নিগ্ধ শীতল বায়ু দুর্বল শরীরকে সবল করে তুলল। হাটতে বেশ আরাম লাগছিল। নিগ্রো অথবা ইউরোপীয়ান ধরনে ফুটপাতে হাটতে জানতাম এবং তাদেরই অনুকরণে হাটতে ছিলাম। অনেকক্ষণ হাটার পর দেখতে পেলাম মেপ্পা একদিকে দাঁড়িয়ে দোকানের সৌন্দর্য্য দেখছে। সে আমাকে দেখতে পেয়েছিল কিন্তু কাছে এসে কথা বলতে ইচ্ছুক ছিল না, বুঝলাম সে যদি আমাকে পরিচিত বলে স্বীকার করে তবে বিপদের সম্মুখীন হবে সেজন্য আমি তারই কাছে দাঁড়িয়ে দোকানের সৌন্দর্য্য দেখছিলাম। কতকক্ষণ পর সে একদিকে রওয়ানা হল, আমিও তার পেছনে হাটতে আরম্ভ করলাম। কতকক্ষণ হাঁটার পর আমরা শহরের শেষ সীমায় পৌঁছলাম। শহরের শেষ সীমান্তে লোক চলাচল মোটেই ছিল না। মেপ্পা দাঁড়াল এবং বলল “আগামী কল্য সন্ধ্যার পর আপনি এ পথে আসবেন, আমরা আপনার জন্য অপেক্ষা করব। আপনাকে আমাদের গ্রামে নিয়ে যাব এবং যে সকল গ্রামের লোক তাদের দুঃখের কথা আপনার কাছে বলে শান্তি পেতে চাইছে তাদের দুঃখের কাহিনী আপনি দয়া করে শুনবেন।
“নিশ্চয়ই মেপ্পা। কাল সন্ধ্যার পর আমাকে এই স্থানে পাবে। আমার পরণে কালো বস্ত্র থাকবে। অন্ধকারে মিলিয়ে যাবার পক্ষে সুবিধা হবে। আমার কথা শেষ হবা মাত্র মেপ্পা রাজপথের এক পাশে একটি বৃক্ষের আড়ালে আত্ম গোপন করল। মেপ্পাকে ছেড়ে দিয়ে পুনরায় শহরের দিকে রওয়ানা হলাম। কতকক্ষণ যেয়ে দেখলাম সামনেই একটি ভারতীয় বিদ্যালয়। ভারতীয় ছাত্রগণ তখন খেলছিল। আমাকে দেখা