বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:নিগ্রো জাতির নূতন জীবন - রামনাথ বিশ্বাস (১৯৪৯).pdf/৯৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

ভিক্টোরিয়া ফলস্

 আগ্রার তাজমহল দেখার জন্য যে কোন আমেরিকানের মন যেমন করে লাফিয়ে উঠে ঠিক তেমনি করে যে কোন ভৌগলিকের পক্ষে ভিক্টোরিয়া প্রপাত দেখার জন্য আগ্রহ হয়। আমার মনেও আগ্রহ হয়েছিল বটে কিন্তু বর্ণ বৈষম্য সেই আগ্রহকে অনেকটা দমিয়ে দেয়। সর্ব প্রথমেই প্রশ্ন উঠে থাকার স্থান। ভিক্টোরিয়া ফলস্ হতে আধ মাইল দূরে একটি প্রকাণ্ড হোটেল আছে। হোটেলটির আয়তন এবং থাকবার বন্দোবস্ত কলিকাতার গ্রেট্‌ ইষ্টার্ণ হোটেলের তিন গুণ কিন্তু সেখানে কোন এশিয়াবাসীকে থাকতে দেওয়া হয় না। ইসমাইলী সম্প্রদায়ের জীবিত পয়গম্বর মহামান্য আগাখান্ ও সে হোটেলে স্থান পান না। আগা খানের নাম বলার কারণ হ’ল তিনি অনেক বারই আফ্রিকায় গিয়েছেন এবং দেখতে পেয়েছেন আফ্রিকাতে ভারতবাসীর অবস্থা কিরূপ সেজন্যই তাঁর নাম এখানে বলা হল। অন্য কোন কারণ নাই। এমতাবস্থায় আমার মত নগণ্য ভারতবাসীর পক্ষে আফ্রিকার বিপদ সঙ্কুল অরণ্যে বাস করে ভিক্টোরিয়া প্রপাত পর্যন্ত বাইসাইলে ভ্রমণ করা সম্ভব ছিল না। মেপ্পা এবং জব্বো বলেছিল ভিক্টোরিয়া প্রপাতের দিকে যাবে না। নূতন সাথী জুটিয়ে নেওয়াও সম্ভব ছিল না। সংবাদ নিয়ে জানলাম ভিক্টোরিয়া ফলস্ হতে চার মাইল দূরে লিভিংক্টোনিয়া নামে