বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:নিশীথ-চিন্তা - কালীপ্রসন্ন বিদ্যাসাগর.pdf/১৫৫

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

Fā可而可以 እ 8 ዓ রূপের অলস-মধুর আভার ন্যায়, এলাইয়া পড়িয়াছে, এবং সেই অজড়, ও অনিৰ্বাচনীয় শোভা দর্শনে বিমোহিত ইইয়া অ্যাকাশের নক্ষত্রমালাও একটি একটি করিয়া লজ্জায় নিবিতেছে। -চন্দ্রের এই বিচিত্ৰ বৈভব, এ বিশ্বভুলভ, সম্পদ কোথা হইতে আসিল ? এই বিচিত্র বিশ্বকাননে কোন বস্তুতেই কি চন্দ্ৰপুদনের প্রতিকৃতি পরিলক্ষিত হয় না ? সংসারে এমন সুখ-শীতল সৌন্দৰ্য্য। আর কিছুতেই কি নাই ?— আছে । পৃথিবীর শত সহস্ৰ হৃদয়ে, সদায়ের অন্তস্তল তহঁতে, প্ৰতিধবনি হইতেছে- আছে । কেন না, মানুষ্যের প্রাণী, চন্দ্ৰবদনৈর স্নিগ্ধ-জ্যোৎস্নায় আদ্র না হইলে, গণিকাল ও সুস্থ এবং প্ৰকৃতিস্থ রহে না ; প্ৰাণটা প্ৰকৃতিপ্ৰস্তাবে বিকাশ লাভেরই সুযোগ প্লায় না। শিশু, যুবা, প্রৌঢ়, প্রাচীন, সকলেই এ কথার সমান সাক্ষী। সকলেই বলিতেছে,-আছে ; এবং ফ্রাঙ্গা ও বলি: - তেছে যে, চন্দ্ৰবদনের সেই প্ৰতিকৃতি দেখিয়াই সে জীবিত রহিয়াছে । শিশুর চক্ষে চন্দ্ৰবদন মায়ের গোহ মাখা চলাঢল মুখখানি। যদি শিশুর প্রাণে প্রাণ মিশাইয়া সেই সুকোমল প্ৰাণের অভ্যন্তরীণ সংবাদ “সীগ্রহ করতে পাের, তাহা হইলে জানিতে পাইবে,-বোধ হয়, কতকটা অনুভব করিতেও সমর্থ হইবে যে, এ জগতের কোথাও যে সৌন্দৰ্য্য প্রত্যক্ষ হয় না, সেই সৌন্দৰ্য্য মায়ের মুখে। ঐ চন্দ্ৰমুখ