পাতা:নীতিকণা - নারায়ণচন্দ্র বিদ্যারত্ন.pdf/৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
২৬
নীতিকণা।

গাইয়া সন্ধ্যার গান সুমধুর রবে,
কুলায়ের অভিমুখে ধায় পাখী সবে।
রজনীর আগমনে সুধাংশু প্রকাশে,
হাসয়ে প্রকৃতি-সতী মনের উল্লাসে।
প্রাতঃকালে মন্দ মন্দ অনিলের ভরে,
বৃক্ষ লতা তৃণ আদি দোল দোল করে।
তাহাদের অগ্রভাগে শিশির পড়িয়া,
অরুণ কিরণে তাহা রক্তিম হইয়া,
মুকুতার মত হয় দেখিতে সুন্দর,
তাহা দেখি মহানন্দে ভাসয়ে অন্তর।
আহা! এইরূপ কত শোভা মনোহর,
হে’রে হয় পল্লী-বাসে সুখ নিরন্তর।

 


দশাপরিবর্ত্তন।

ছিন্নশাখ বৃক্ষে পুনঃ অন্য শাখা হয়,
পত্র-হীন বৃক্ষে পুনঃ পত্র সুশোভয়।
সুদুঃখিত মানবের তাপিত হৃদয়,
সময়ে যন্ত্রণা হ’তে বিনির্ন্মুক্ত হয়।