পাতা:নীতিকণা - নারায়ণচন্দ্র বিদ্যারত্ন.pdf/৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
৪৩
নীতিকণা।

জনক-জননী-হীন বালক যখন,
দাঁড়াইয়া তা’র কাছে করয়ে রোদন।
সে সময় কৃপণের পাষাণ হৃদয়,
তাহার নয়ন-জলে আর্দ্র নাহি হয়।
বিধবা রমণী যদি হাহাকার করে,
দেখিয়া না হয় দয়া তাহার অন্তরে।
নিরাশ্রয় দীন যদি মরে অনাহারে,
তথাপি সে এক কড়া দিবে না তাহারে
প্রাণসম অৰ্থরাশি রাখিয়া যতনে,
নিরন্তর বদ্ধ থাকে আপন ভবনে।
যখন শমন আসি বিস্তারি বদন,
গ্রাস করে কৃপণেরে হায় রে! তখন,
তা’র শোকে নেত্রজল বিসর্জ্জন করে,
কা’রেও না দেখি হেন সংসার ভিতরে।
তখন সে ধনরাশি থাকে বা কোথায়,
এক কপর্দকো তা’র সঙ্গে নাহি যায়।
যা’র তরে কষ্ট ক’রে কাল কাটাইল,
তাহাও সময়ক্রমে অন্যের হইল।