পাতা:নেতাজীর জীবনী ও বাণী - নৃপেন্দ্রনাথ সিংহ.pdf/৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

সুভাষচন্দ্রের জীবনী ও বাণী

৩১

 ১৯৩৮ খৃষ্টাব্দে সুভাষচন্দ্রের প্রথমবার সভাপতি থাকা কালে নিম্নলিখিত ঘটনাগুলি উল্লেখযোগ্য:—(১) উড়িষ্যা, বিহার, যুক্তপ্রদেশে কংগ্রেস মন্ত্রিগণের সহিত গভর্ণরের মতভেদ হওয়ায় গভর্ণরের পরাজয়। (২) পার্লামেন্টারি কার্য্যকলাপে কংগ্রেসের মর্যাদা বৃদ্ধি। (৩) ভারতের আটটি প্রদেশে কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা শাসন ভার গ্রহণ করিয়াছিলেন। (৪) আসামে কংগ্রেস কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠন। (৫) বহু দেশীয় রাজ্যে কংগ্রেসের নীতি অনুযায়ী অহিংস গণ আন্দোলন আরম্ভ হয়। (৬) হিন্দু মুশলিমের মিলনের জন্য সুভাষচন্দ্র জিন্নার সহিত আলোচনা চালান। (৭) কংগ্রেস ওয়াকিং কমিটি দীর্ঘকালব্যাপী বাঙ্গালী-বিহারি বিরোধের সমস্যার সমাধান করেন; যথা (ক) বিহারী ও বাঙ্গালীর মধ্যে কোন ব্যাপারে কোনরূপ বৈষম্য থাকিবে না। (খ) বিহারে দীর্ঘকাল বাস করিবার প্রমাণের যে সার্টিফিকেট (Domiciled certificate) লইবার প্রথা ছিল তাহা রহিত হয়। যে কোন ব্যক্তি দশ বৎসর বাস করিলে ঐ প্রদেশে বাসিন্দা বলিয়া গণ্য হইবেন। (গ) ভারতবাসীকে একটি অখণ্ড জাতি হিসাবে গণ্য করার নীতি গৃহীত হয়। (ঘ) ছাত্রসংখ্যা যথোপযুক্ত হইলে সেই ছাত্রদিগেরও মাতৃ ভাষায় শিক্ষার ব্যবস্থা করিতে হইবে।

 ১৩৪৫ সালে ৭ই মাঘ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ রাষ্ট্রপতিকে শান্তিনিকেতনে বিপুলভাবে সম্বর্ধনা করেন এবং আম্রকুঞ্জে একটি মহতী সভায় তাহাকে অভিনন্দন করেন।