পাতা:নেতাজীর জীবনী ও বাণী - নৃপেন্দ্রনাথ সিংহ.pdf/৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

সুভাষচন্দ্রের জীবনী ও বাণী

৭১

হত্যাকার্য্যে লেঃ ধীলনকে সহায়তা করিবার অভিযোগও ক্যাপ্টেন সেহগলের বিরুদ্ধে আনীত হইয়াছে। আর গোলন্দাজ মহম্মদ হোসেনের হত্যাকার্য্যে খাজিনশাই এবং আয়া সিংহকে সাহায্য করিবার অভিযোগেও ক্যাপ্টেন শাহ নওয়াজ অভিযুক্ত হইয়াছেন। বিদাদারী, সেলেতার, ক্রাঞ্জি ক্যাম্পে যে সকল ভারতীয় যুদ্ধ বন্দী ছিল তাহাদিগকে আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগদান করিতে বাধ্য করিবার জন্য অত্যাচার ও নির্যাতন করার অভিযোগও আছে।

 বিচারের ফল—প্রায় দুই মাস বিচার চলিবার পর সকল আসামীই রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্থ হন। মহামান্য জঙ্গীলাট আসামীদিগকে ছাড়িয়া দেন; কেবল তাঁহাদের বাকী বেতন ও ভাতা বাজেয়াপ্ত করেন।

 আজাদ হিন্দ ফৌজের পরবর্ত্তী সংবাদ—(ক) আজাদ হিন্দ ফৌজ সম্বন্ধে কয়েকটি কথা মনে রাখা দরকার:— (১) আজাদ হিন্দ ফৌজ পেশাদার রাজনীতিবিদ্ বা বিপ্লবী দিয়া গঠিত নয়। যে সব লোক ব্রিটিশ সৈন্যবিভাগে বিশ্বস্ত সৈনিক ছিল এবং যাহাদের আত্মীয় স্বজন এখনও ব্রিটিশের দাসত্ব করিতেছে সেই সব লোকই ফৌজে যোগ দেয়। (২) তাঁহার জাপানীদের তাঁবেদার বেতনভুক সৈন্য ছিল না। (৩) ১৯৪২ সালে এপ্রিলে জাপানীদের অপসারণের সময় ৫০০০ আজাদি সৈন্য রেঙ্গুণে আইন ও শৃঙ্খলা এবং ভারতীয়দের ধনসম্পত্তি রক্ষা করে। আজাদ হিন্দ গভর্ণমেন্টের অধীনে ভারতীয়গণকে