পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/১০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চতুর্থ অধ্যায়। 弗 করিতে লাগিলাম। কেবল তাহা নহে, দিনের মধ্যে প্রত্যেক দশ পািনর মিনিট অন্তর ঈশ্বরকে স্মরণ করিতাম ও প্রার্থনা কিরিতাম।” এই প্রকারে প্রাণের যন্ত্রণায় অস্থির হইয়া শিবনাথ ভগবানের শরণাপন্ন হইয়া শান্তি লাভ করিলেন। বড়ই আশ্চর্য্যের বিষয় এই যে, শিবনাথের পিতা নাস্তিক-দৰ্শনের রীতি অবলম্বন করিয়া পুত্রের নিকট নাস্তিকতা প্রচার করিতেন। কিন্তু শিবনাথের প্ৰাণে নাস্তিকতা কখনও স্থান পায় নাই। যার অন্তরে যে ভাবের প্রবণতা নাই, তাকে বাহির হইতে কেহ কিছু শিখাইতে পারে না, কিম্বা শিখাইলে তাহা স্থায়ী হয়। না । শিবনাথের হৃদয় স্বাভাবতই ধৰ্ম্মপ্রবণ ছিল, তাতে নাস্তিকতা দাড়াইবে কি করিয়া ? দুঃখে না পড়িলে কাহারও প্রকৃত B D DB BD DDD S SBDBD DS BBDS BBSBD প্রভৃতিকে মানবজীবনের পরীক্ষা বলা হইয়াছে। স্বৰ্ণে কলঙ্ক থাকিলে, অগ্নিতে দগ্ধ করিলে যেমন তাহ উজ্জ্বল হয়-তেমনি যে চরিত্রে প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা আছে, দুঃখ বিপদে পতিত হইলে তা আরও উজ্জ্বল ও নিৰ্ম্মল হয়। কাষ্ঠ দগ্ধ করিলে ভস্ম হয়, কিন্তু স্বর্ণের বর্ণ আরও উজ্জল হইতে উজ্জ্বলতর হয়, একথা কি সত্য নহে ?