পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/১২৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


शर्छ অধ্যায়। S"; বহন করিলেন, এবং মহালক্ষ্মীকে অলঙ্কারও দিলেন । শিবনাথের উদ্যোগেই এ বিবাহটী হইয়া গেল। কিন্তু ফলস্বরূপ যখন ঘোর নিৰ্য্যাতন আরম্ভ হইল, তাহাও মন্তক পাতিয়া সহ্য করিতে হইল। এবার জীবনের আর একটী কঠিন পরীক্ষায় শিবনাথ পার হইলেন। মহালক্ষ্মীর বিবাহের পর শিবনাথ তাহদের বাড়ীতে আসিয়া বাস করিতে লাগিলেন। তখন শিবনাথ বৃত্তি পান, যোগেন্দ্রও বৃত্তি পাইয়া থাকেন বটে, কিন্তু তাহাতে ভিন্ন বাসা করিয়া পরিবার প্রতিপালন করা অসম্ভব। শিবনাথ উদ্যোগী হইয়া এ বিবাহ দিয়াছেন, সুতরাং তঁহার প্রখর দায়িত্বজ্ঞান এই নির্দেশ করিল যে, তাহার উৎসাহে যখন এই বিবাহ হইয়াছে, তখন তিনি ইহাদের সকল প্ৰকার নির্য্যাতন হইতে রক্ষা করিতে বাধ্য। ধন মন দেহ প্ৰাণ দিয়া এই উৎপীড়িত দম্পতীর সেবা করিয়াছেন এবং সকল প্রকার উৎপীড়ন সহা করিয়াছেন। যোগেন্দ্ৰনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয় স্বজন এই বিবাহের ঘোর বিরোধী ছিলেন-তাহা হইবারই কথা । শিবনাথের পিতাও পুত্রের এই কাৰ্য্যে একেবারে খড়গহস্ত হইলেন। লোকে চারি দিকে ছিঃ ছিঃ করিতে লাগিল । যোগেন্দ্ৰচন্দ্রের নব পরিণীতা পত্নীর কষ্ট্রের একশেষ হইল, ঝি চাকর, এমন কি ধোপা নাপিত কিছুই পাওয়া যায় না । শিবনাথ একাই তেঁাহাদের অবিভাবক, তঁহাদের ভূত্য, তঁহাদের সহায় সম্বল সকলই । তিনি বাজার করিতেন, হইলে রন্ধন করিতেন, মহালক্ষ্মীকে পড়াইতেন, ধৰ্ম্মোপদেশ দিতেন। মানুষ যে পরের জন্য এতটা করিতে পারে, ইহা অদৃষ্টপূৰ্ব্ব,