পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/১৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ywObr শিবনাথ-জীবনী । ব্ৰাহ্মদলের সংঘর্ষ এত সহজে মিটিবার নয। স্ত্রী-শিক্ষার আদর্শ লইয়া আবার মতভেদ উপস্থিত হয়। আশ্রমে যে মহিলা বিদ্যালয প্রতিষ্ঠিত হইয়াছিল, কেশবচন্দ্ৰ তাহা বিশ্ববিদ্যালয়েব আদর্শানুযায়ী করিতে চাহেন নাই। বালিকাদিগকে BD BBu DDD DDDS DD DBuS BDBBBB DS DD অত্যগ্রসর দল মহিলাদিগের উচ্চতম শিক্ষার জন্য ব্যাকুল হইলেন। দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ দল নারীদের উচ্চতম শিক্ষার জন্য হিন্দু মহিলা বিদ্যালয় নামে একটী বিদ্যালয় স্থাপিত করিলেন। বিলাত হইতে নবাগত কুমারী এক্রয়োড় ইহার প্রথম তত্ত্বাবধায়িকা নিযুক্ত হইলেন । অতি অল্প দিনের মধ্যেই এই বিদ্যালয় উঠিয়া গিয বালীগঞ্জে ১৮৭৬ সালে বঙ্গমহিলা বিদ্যালয় নামে আর একটা বালিকাদিগের্ব উচ্চশিক্ষার জন্য বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। গঙ্গোপাধ্যায় মহাশয়, দুৰ্গামোহন দাস, ও আনন্দমোহন বসু মহাশয়, এই বিদ্যালয়ের জন্য অনেক শক্তি ও অর্থব্যয করিয়াছিলেন। গঙ্গোপাধ্যায় মহাশয় এই বিদ্যালয়ের একজন উৎসাহী শিক্ষক ছিলেন । শিবনাথ যখন সাউথ সুবরবণ স্কুলের হেন্ডমাষ্টার হইয়া ভবানীপুবে আসিলেন তখন এই বিদ্যালয় চলিতেছে। গঙ্গোপাধ্যান্য মহাশয়ের বিশেষ অনুরোধে ছয় সাত বৎসরের বালিকাকান্ত হেমলতাকে বঙ্গমহিলা বিদ্যালয়ে বোর্ডার করিয়া দেন । বঙ্গমহিলা বিদ্যালয়ে ইংরাজ লেডি সুপারিনটেনডেন্ট ছিলেন মেয়ের সারাদিনে একটাও বাঙ্গলা কথা বলিতে পারিত না । যে বাঙ্গলায় কথা বলিত, তার গলায় কৃষ্ণবর্ণ এক পদক কুলাইয়া দেওয়া হইত। দিনান্তে বার গলায় কৃষ্ণবর্ণ পদক