পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/১৭৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দশম অধ্যায় । SS দুলিত Gir black mark পাইত। এই বিদ্যালয়ে ইংরাজি ধরণে শিক্ষা দেওয়া হইত। বঙ্গমহিলা বিদ্যালয় কিছুদিন স্বাধীনভাবে চলিয়া অবশেষে ১৮৭৭ সালে বেথুন স্কুলের সহিত মিলিত হয়। তখন হইতে স্ত্রীশিক্ষার জগতে এক নবযুগের অবতারণা হইয়াছে। অনুমান ১৮৭৪ সালে, শিবনাথ যখন হরিনাভিতে বাস করিতেছিলেন, তখন আশ্রমে এক পরিতাপের কারণ উপস্থিত হয়। শিবনাথের স্বগ্রামস্থ বন্ধু হরনাথ বসু মহাশয়, আশ্রমে বাস করিতেন। হরনাথ বাবু যথাসময়ে আশ্রমেব খবচের টাকা দিতে পারিতেন না। ক্ৰমে ঋণগ্ৰস্ত হইলেন। আশ্রমের তত্ত্বাবধায়ক মহাশয় ঋণ পরিশোধের জন্য অত্যন্ত পীড়াপীড়ি করাতে বসু মহাশয় একদিন স্ত্রীপুত্রকে শ্বশুরালয়ে পাঠাইবার উদ্যোগ করিলেন। হরনাথের পত্নী বিনোদিনী গাড়ীতে উঠিয়াছেন এমন সময়ে অধ্যক্ষ মহাশয়ের আদেশে ভৃত্য আসিয়া গাড়ী ধরিয়া বলিল, “ঋণ শোধ না করিলে গাড়ী ছাড়িব না।” বিনোদিনী আপনাকে অপমানিত মনে করিয়া কঁাদিতে লাগিলেন। শেষে গলার অলঙ্কার ঋণ শোধের জন্য দিয়া। তবে নিস্কৃতি পাইলেন। হরনাথ বাবু ক্রুদ্ধ হইয়া ব্ৰাহ্মবিদ্বেষী এক কাগজে এ সকল বিবরণ প্ৰকাশ করিলেন। কেশবচন্সের আশ্রমের বিরুদ্ধে সেই সংবাদপত্রে অনেক কুৎসা বাহির হইতে লাগিল। কেশবচন্দ্র সম্মান রক্ষার জন্য বাধ্য হইয়া সেই ংবাদপত্রের সম্পাদকের নামে মানহানির মকদ্দমা আনিলেন। বোধহয় এই মকদ্দমা আদালতে উঠে নাই, আপোষে মিটী । গিয়াছিল ।