পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/১৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Sd62Ñq শিবনাথ-জীবনী । কবিরাজের কথা মত চলিলে শিবনাথ আর বঁাচিতেন না, কবিরাজ অতি সামান্য লঘু পথ্যের ব্যবস্থা করিতেন। গোলোকমণি তাহা শুনিতেন না, লুকাইয়া তার তিন চারি গুণ অধিক আহার দিতেন। প্রচুর পরিমাণে সুপথ্য পাইয়া শিবনাথ রোগমুক্ত হইলেন। দেখা গেল রোগ আর কিছুই নয়, ক্ষয়কাশও নয়, যক্ষ্মকাশও নয়, অনাহারে, অনিদ্রায়, দুরন্ত শ্ৰম করিবার ফলেই শরীর ভাঙ্গিয়া পড়িয়াছিল। শিবনাথ দীর্ঘারুতি ছিলেন বটে, কিন্তু আজন্ম কল্প ছিলেন । শরীরের অবস্তা এমন ছিল যে কোন দিন জীবনবীমা করাইতে পারেন নাই । চিকিৎসকেরা তঁাকে “দীর্ঘজীবী হইতে পরিবে না” বলিয়াছিলেন। ১৮৭৭ সালের শেষে রোগমুক্ত হইয়া, বায়ুপরিবর্তনের জন্য সপরিবারে মুঙ্গেরে গেলেন। যে দিন মুঙ্গেরে পৌছিলেন, তারপর দিনই, শিশুকন্যা সরোজিনী দোতলার ছাদ হইতে নীচে পড়িয়া মারা গেল। সে কি হৃদয় বিদারক ব্যাপার ! জননী প্ৰসন্নময়ী শোকে ক্ষিপ্তপ্রায় হইলেন। তখন রামকুমার বিদ্যারত্ন মহাশয় মুঙ্গেরে ছিলেন, তিনি সরোজিনীর মৃতদেহ কোলে লইয়া গঙ্গার জলে ভাসাইয়া আসিলেন । তঁর সঙ্গে যায় এমন লোক আর কেহ ছিল না । শিবনাথও হৃদয়ে অল্প বেদন পান নাই ! সরোজিনীর মৃত্যু উপলক্ষে একটী অতি সুন্দর কবিতা রচনা कब्रन, ऊांद्र किश्श्या ५शै :- pl সংসার উদ্যানে, ফুটিল যেকটী ফুল, পরিপূর্ণ প্ৰাণে ডাল সাজাইয়া ; আমি হাসিতে হাসিতে আনন্দ তরঙ্গে যেন ভাসিতে ভাসিতে