পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/২৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


39N भिवनॉर्थ-छौदनी । সময়ের মত, আর কোন চিন্তা হৃদয়ে স্থান দিতেন না । সেই কাৰ্য্যে সিদ্ধ।কাম হইয়। তবে অন্যদিকে দৃষ্টি ফিরাইতেন। সাধারণ ব্ৰাহ্মসমাজ প্ৰতিষ্ঠার সময় এই একাগ্ৰতা, সিটি কলেজ স্থাপনের সময় এই ভাব-আর চক্ষে দেখিয়াছি, ব্ৰাহ্ম-বালিকাশিক্ষালয় প্ৰতিষ্ঠার সময় কি তন্ময়ত, কি একাগ্ৰতা ! কি উৎসাহ ? সেই সময় অন্য মনস্কতার জন্য কত যে ভুল করিতেন ! একদিন ধোপার বাড়ী হইতে মসরি কঁাচিয়া আসিয়াছে, মসরিখানি আলনা হইতে লইয়া, চাদরের মত কঁাধে ফেলিয়া চলিয়াছেন!! একদিন ব্ৰাহ্মবালিকাশিক্ষালয়ের চিন্তায় মন এমমই পূর্ণ যে, সেই চিন্তায় মগ্ন হইয়া আহারে বসিয়া ডালের বদলে জল দিয়া ভাত মাখিয়া বেশ খাইয়া যাইতেছেন, আমরা যখন সকলে হাসিয়া উঠিয়াছি, “ও বাবা, করা কি ?” তখন চৈতন্য হইয়াছে।--আর সেই অট্টহাস্তের রোল ? অন্যমনস্কতার জন্য এ জীবনে কত যে দুর্ঘনা হইয়াছে তার অন্ত নাই-কতবার ট্রাম হইতে পড়িতে পড়িতে বঁচিয়াছেন। কতবার পড়িয়া হাত পা কাটিয়াছেন, কতবার মাথা ঠুকিয়া মাথা কটিয়াছেন। আমরা শশব্যস্ত থাকিতাম ; আর কতবার বলিয়াছি, “আমাদের পরম সৌভাগ্য বলে মানব যদি তুমি গাড়ী চাপা পড়িয়া भी न सiv3 ।” ব্রাহ্মা-বালিকাবিদ্যালয় ত প্রতিষ্ঠিত হইল। তাকে স্বাঢ় ভিত্তিতে স্থাপিত দেখিয়া ১৮৯০ সালের শেষ ভাগে শিবনাথ প্রচার যাত্ৰা করিলেন । নানা কারণে এ যাত্ৰাও চিরস্মরণীয়। এই সময় তিনি ডায়েরিতে প্রতিদিনের কার্য্য ও চিন্তা লিপিবদ্ধ করিয়া গিয়াছেন। কি আশ্চৰ্য্য! এবার প্রচার যাত্ৰা করিবার পূর্বে আমার মনে এক আশ্চৰ্য্য ভাবের উদয় হইল, মন বলিতে লাগিল