পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৩০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>や শিবনাথ-জীবনী । জমিদারবাবুদের এক বাটীতে স্থানান্তরিত হইল এবং তখন হইতে । জমিদারগণই বালিকাবিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষক এবং পরিচালক হইলেন। অদ্যাবধি বালিকাবিদ্যালয়টি জমিদারবাবুদিগের বাটীতেই আছে । শিবনাথ ১৮৫৬ সালে কলিকাতায় বিদ্যাশিক্ষার জন্য আগমন করেন। তিনি ছুটীতে যখন দেশে যাইতেন, তখন বিদ্যাবিলাসিনী সভায় এবং তৎপরে হিতৈষিনী সভায় গমন করিতেন ও প্ৰবন্ধাদি পাঠ করিতেন। গ্রামের প্রাচীন ব্যক্তিদিগের হিতৈষিনী সভার উপর দারুণ বিরাগ ছিল । তখনকার দিনে পথে ঘাটে কেহ ব্ৰাহ্মযুবকদিগের সহিত কথা কহিত না, কিন্তু শিবনাথের পিতা তেজস্বী হরানন্দ পুত্রকে কখনও ব্রাহ্মযুবকদিগের সহিত মিশিতে নিষেধ করিতেন না । ১৮৬৫ সাল হইতে শিবনাথের ধৰ্ম্মভাব প্রবল হয়তখন উমেশচন্দ্রের কনিষ্ঠ ভ্রাতা দীননাথের সঙ্গে শ্মশানে গিয়া উপাসনা করিতেন এবং জমিদার যোগেন্দ্রনাথ দত্তের বৈঠকখানা। বাড়ীতে প্ৰেতাত্মা আহবান করিতেন। ১৮৬৩ সাল হইতে মজিলপুর গ্রামে ব্ৰাহ্মধৰ্ম্মের প্রভাব স্নান হইয়া আসে। কালীনাথ, উমেশচন্দ্র, হরনাথ প্রভৃতি কাৰ্য্যোপলক্ষে অন্যত্র চলিয়া যান এবং সংস্কারকদিগের নেতা শিবকৃষ্ণ দত্ত পাগল হইয়া দেশে রহিয়া গেলেন এবং কলিকাতাই মজিলপুরের ব্ৰাহ্মীদিগের কৰ্ম্মক্ষেত্র হইয়া পড়িল ।