পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৩১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উনবিংশ অধ্যায়। ᎸᎲ2Ꮔ ২৫ অক্টোবর। ১৮৯৪ । আশ্রমের ইতিবৃত্তে শাস্ত্রী মহাশয় স্বয়ং লিখিতেছেন, “আমি বলিলাম। আমাদের যাহা ভাবিবার করিবার আছে আমরা করি । * * * ঈশ্বরের করুণা অলসদিগের জন্য অবতীর্ণ হয় না । এই বলিয়া তীহাকে * * * ঈশ্বর চরণে অভাব নিবেদন করিয়া প্রার্থনা করিতে বলিলাম। নিজেও তদবধি অনেকবার প্রার্থনা করিয়াছি। অদ্য প্ৰাতে উপাসনান্তে * * * বলিলেন যে আশ্রমে স্বতঃপ্রবৃত্ত দান ৫২ টাকা আসিয়াছে। অমনি আমার দৃষ্টি অন্নদাতার উপর পড়ল। ৭ই নবেম্বর। ১৮৯৮ । শাস্ত্রীমহাশয় লিখিতেছেন “আজি দেশ হইতে ফিরিবার সময় শেলটারের এ মাসের ব্যয়ের বিষয় চিন্তা করিতে লাগিলাম। দয়াময় পিতা ভরসা, কিন্তু আমরা অদ্যাবধি এই ভাবে চলিযা আসিতেছি যে আমরা আমাদের করণীয় অংশ সমুচিত রূপ না করিলে, তঁাহার কৃপা অবতীর্ণ হয় না । আমাদিগকে চিন্তা করিতে হইবে, উপায় উদ্ভাবন করিতে হইবে, সৰ্ব্বোপবি যে লক্ষ্য সিদ্ধির জন্য আশ্রম স্থাপিত হইয়াছে, সেই ' লক্ষ্যের প্রতি মনোযোগী তহঁতে হইবে, তবে আমরা প্রভুর কৃপার উপযুক্ত হইব । তদনুসারে আমি ভাবিতে ভাবিতে অ্যাসিতেছি। যে, এ মাসে কয়েক জনকে মফঃস্বলে প্রেরণ করিতে হইবে। আশ্রমে আসিয়াই শুনি, প্রফেসার নিউম্যানের নিকট হইতে একখানি পত্র আসিয়া রহিয়াছে। খুলিয়া দেখি তিনি আমাকে যথেচ্ছা ব্যবহার করিবার জন্য দুই পাউণ্ড পাঠাইয়াছেন। প্রভুকে ধন্যবাদ। আমার মনে হইতেছে, যিনি বাহিরের প্রার্থনা এত পূর্ণ कब्रिाउाछन, डिनि कि आाक्षाश्चिक आशीमा भूर्भु कब्रिटदन ना ? সে কি কথা ! আশা হইতেছে রিপুকুলের উপরেও আমরা