পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৩২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


文白° শিবনাথ-জীবনী । হইতেছে, অতিরিক্ত individualism আধ্যাত্মিক জীবনের পক্ষেও ভাল নয়। কতকটা self discipline 9 selfsuppression সে পক্ষে ভাল । এজন্য সাধনাবস্থাতে গুরুর অধীন থাকিবার নিয়ম ভালই বোধ হয় ।” এখানে শিবনাথ যাহা সরল হৃদয়ে অনুভব করিয়াছেন। তাহাই বলিযাছেন। নিজ মণ্ডলীর মধ্যে ধৰ্ম্মভােব স্নান দেখিলে তিনি বাণিবিদ্ধ মুগের ন্যান্য বেড়াইতেন । তবে অপরের সঙ্গে তঁর প্রভেদ এই, তিনি অপরের দোষ ত্রুটি না দেখিয়া অম্নান বদনে নিজের স্কন্ধে সমুদয় অপবাধের গুরুভার তুলিযা লাইতেন । ১৭শে সেপ্টেম্বর ১৯১১, ভুবনেশ্বরে বসিয়া ডায়েরিতে লিখিয়া ছেন ;-“গত কল্য হইতে একটা কথা বড় মনে জাগিতেছে। আমার বিগত জীবনের যত প্ৰকার ত্রুটি সংশোধন করিতে হইবে, তাহার মধ্যে একটা প্ৰধান এই যে, এতদিন হওয়া অপেক্ষা দেওয়ার দিকে বেশী মন দিয়াছিলাম, অতঃপর হওয়ার দিকে বেশী মন দিতে হইবে । এই বিষয়ে ভাবিতে ভাবিতে মনে হইল যে, বিগত জীবনে অতিরিক্ত মাত্রাতে কাৰ্য্যবাহুল্য হওয়াতে, সাধনে নিষ্ঠা ও ধৰ্ম্মজীবনের গাঢ়তা আশানুরূপ ফুটিতে পারে নাই। আমি যে পরিমাণে কৰ্ম্ম হইয়াছি, সে পরিমাণে जांक्षक श्छे नांई।” ১৯০৪ সালে কনিষ্ঠ পত্নী বিরাজমোহিনীকে লইয়া দীর্ঘ প্রচার যাত্রা করেন। বঁকিপুর, এলাহাবাদ, কানপুর, লক্ষ্মেী, দিল্লী, সাহারানপুর, দেরাদুন, লাহাের, রাউলপিণ্ডী, ইন্দোর, মাঙ্গালোর, কালিকট, কোইম্বা টুর, বাঙ্গালোর প্রভৃতি ভ্ৰমণ করিয়া আসেন।