পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৩২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


একবিংশ অধ্যায় । RbSMO পরিবারের সমুদায় লোক শিবনাথের যেরূপ সেবা শুশ্ৰষা করিয়াছিলেন, এরূপ দৃষ্টান্ত সংসারে বড় বিরল। শিবনাথের বন্ধুবান্ধব যে যেখানে ছিলেন, এই সময় তার জন্য অর্থ সাহায্য দ্বারা আন্তরিক টানের পরিচয় দিয়াছিলেন। চারিদিক হইতে অযাচিত ভাবে শত শত টাকা আসিয়া পড়িতে লাগিল। এই সময় শিবনাথের মা তঁর নিকট আসিয়া অনেক দিন ছিলেন । যখন সকলে তঁর প্রাণের আশা ছাড়িয়া দিয়াছিল, তঁর জননী আশা ছাড়িয়া দেন নাই । তিনি জোর করিয়া বলিতেন, “একি কখন হয়, আমি বেচে থাকতে আমার সবোধন ছেলে যেতে পারে কি ? ও আমার নিশ্চয় বেঁচে উঠবে।” ওদিকে শিবনাথের পিতা হরানন্দ শৰ্ম্ম দেশে তিন দিন ধরিয়া স্বস্ত্যয়ন করিয়াছিলেন । স্বাস্ত্যয়ন শেষে শিবনাথের তিন ভগিনী দেশ হহঁতে সেই জল লইয়া উপস্থিত হইলেন । সেইদিন শিবনাথের রোগের বাড়াবাড়ি—ব্রাত্রি আর কাটে না। বোনের স্বস্ত্যয়নের ॥ জল মৃতকল্প দাদার মুখে দিলেন। তার পর দিন হইতে রোগের শুভলক্ষণ দেখা দিল । শিবনাথের মাতাপিতার বিশ্বাস স্বস্ত্যয়নের জন্য পুত্রের রোগমুক্তি হইল। কিন্তু পিতামাতার আকুল প্রার্থনাই যে সর্বশ্রেষ্ঠ স্বস্ত্যয়ন তাহা কে অবিশ্বাস করিবে ? দীর্ঘ পাচমাস শিবনাথ রোগ শয্যায় পড়িয়া রহিলেন । বসুজায়া "ভার সমুদায় বাড়ীটী শিবনাথের জন্য ছাড়িয়া দিয়া নিজের শত সহস্ৰ অসুবিধা আয়ান বদনে সহা করিলেন । সাধে কি শিবনাথ আনন্দমোহন বসু মহাশয়ের পরিবার পরিজনন্দিগকে এত ভাল বাসিতেন ? এত ভালবাসা যত্ন আর কোথাও তিনি পান নাই, আপনার পুত্ৰ কন্যার নিকটও নহে। লোকে আপনার