পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৩৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


“OSV শিবনাথ-জীবনী । अकी भांज श्रुँगडा अप्छ, उांश যশস্পৃহা, অন্য দুর্বলতা র্তাদিগের নাই। তখন বুঝিয়াছিলাম। তিনিও সে দুর্বলতার উপরে নহেন। ব্ৰাহ্মসমাজের সেবার জন্য এই যশলিন্সাটুকুও তাকে বিসর্জন দিতে হইয়াছিল। জীবনে এই ত্যাগই মহাত্যাগ ! তার প্রকৃতির আর এক বিশেষত্ব ছিল তন্ময়ত-যখন যে বিষয়ে মনোনিবেশ করিতেন, তন্ময় হইয়া যাইতেন । অন্য কথা হৃদয়ে স্থান পাইত না । বাল্যকালে ইহার জন্য পিতার হস্তে কত নিগ্ৰহই মা সহ্য করিয়াছিলেন । কায্য ক্ষেত্রে অবতীর্ণ হইয়া যখন যে বিষয়ে লিপ্ত হইতেন, তখন অন্য কোন কাৰ্য্য অন্য কোন কথা হৃদয়ে স্থান পাইত না । শিবনাথ ছিলেন ধৰ্ম্মগত প্ৰাণ ! এই হৃদয়শীলতা হইতেই তার আধ্যাত্মিকতার উৎপত্তি ! প্রেমপ্রবণ প্ৰকৃতির পরিণামই হইল ভক্তি। প্রেমের কিছু প্ৰকৃতিগত আকারভেদ নাই । শৈশবের মাতৃপিতৃ ভক্তির পরিণাম হইল ঠিার ভগবৎ-ভক্তি । তিনি ভক্ত ছিলেন, প্রেমিকও ছিলেন । সেই সরস কোমল হৃদয়ে ভগবৎভক্তির পূর্ণ বিকাশ হইবে তাতে আর বিচিত্র কি ? শ্ৰীতি যত ধারায় মানব হৃদয়ে প্রবাহিত হয়, সকল ধারায় অতি স্বাভাবিক রূপে তার হৃদয়ে প্রবাহিত হইয়া অবশেষে সেই প্রোমের জলধিতে তাকে উত্তীৰ্ণ করিয়া দিয়াছিল । স্বজনপ্ৰেম, স্বদেশ-প্ৰেম, বিশ্ব-প্ৰেম, সকলই তার বিশাল হৃদয়ে স্থান পাইয়াছিল। আজীবনের দুরন্ত শ্ৰমে তার স্বাভাবিক দুৰ্বল দেহ কঠিন রোগে জীৰ্ণ হইয়া গিয়াছিল। জীবনের শেষ চারিমাস শয্যায় উঠিয়া বসিবারা পৰ্য্যন্ত শক্তি ছিল না। এমন যে মস্তিষ্ক তার শক্তিও খৰ্ব্ব হইয়া গিয়াছিল। সকল শক্তি