পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৩৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


V8 धियभांश-औदमी । হিতৈষণায় প্রতি যেরূপ প্রখর দৃষ্টি দেখিতেছি-তাতে নে ধৰ্ম্মসম্প্রদায় এখন মানৰ হিতৈষণা হইতে দুয়ে পড়িবে ও স্বার্থপর ধৰ্ম্মসাধনে নিযুক্ত হইবে, তার মৃত্যু অনিবাৰ্য্য। তাহ ঘূণার সহিত এক কোণে পরিত্যক্ত হইৰে ” vNikis - “মনুষ্য সমাজ হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়া মানুষের সুখ দুঃখ ভুলিয়া যে ঈশ্বর শ্ৰীতি, তাহা আমার ভাল লাগে না। যেন অস্বাভাবিক ও স্বার্থপর বলিয়া বোধহয় । তাতে আনন্দ হয় না । এমন একাল সেঁড়ে ধৰ্ম্মভাব আমরা ভারতবর্ষে অনেক দেখিয়াছি, যে মানুষকে ভালবাসে না, মানুষের সুখ দুঃখের প্রতি যার দৃষ্টি নাই, লক্ষ লক্ষ নরনারীর দুৰ্গতি, অজ্ঞতা, পাপ, ও ক্লেশ যার প্রাণকে ব্যথা দেয় না, সে দুঃখ দূর করিবার জন্য যার কিছু করিবার ইচ্ছা! হয় না, সে ঈশ্বরকে প্রিয়তম, প্ৰাণের প্রাণ প্রভৃতি যাই বলুক না কেন, তাতে আমার মন ভিজে না ।” ' বিলাতের ডায়েরি। ২৩শে জুলাই, ১৮৮৮ “পার্কারের প্রার্থনাগুলি আর এক কারণে আমার বড় ভাল লাগে। আমি ইহার মধ্যে পার্কারের যে ছবি পাই তাহা আমায় হৃদয়ের অনুরূপ। জড় জগতে, প্ৰাণীরাজ্যে ও মানব-রাজ্যে, প্ৰভু পরমেশ্বরের যে করুণা তাহা আমি সৰ্ব্বদা স্মরণ করিয়া থাকি । জগতের ধনধান্তে, প্রকৃতির সৌন্দর্ঘ্যে, উষায় আলোকে, শরতের সুনীল গগনে, বসন্তের কোমল পুষ্পদলে তঁর প্ৰেম বড়ই অনুভব করি। পশুপক্ষীয় বিশেষতঃ পক্ষীর নির্দোষ শান্তিপূর্ণ আনন্দে আমি সেই আনন্দদায়িনী বিশ্বজননীকে বড়ই দেগ্নিতে পাই। আমি নির্জনে বসিয়া যখন তরুলতার শোভা দেখি, তরুশাখাতে