পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৩৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চবিংশ অধ্যায়। \DN94 পাঠ্য ছিল ; সুতরাং পাঠকসমাজে একেবারে অপরিচিত নহে। নিৰ্বাসিতের বিলাপের দুই চারি পুংক্তি এখানে উদ্ধৃত করি - একি হে জলধি । আজ করি বিলোকন ? কেন এ ভীষণ ভাব করেছি। ধারণ ? এ হেন চঞ্চল কেন তোমার হৃদয় । হইলে উতল সিন্ধু, কেন এ সময় ? কেন তরঙ্গের ভঙ্গে, কহ বার বার कब्रिछ अधिांड कूल ? छूमि कि मांभांब्र দুঃখ দেখে রত্নাকর হয়েছ দুঃখিত ? তাই কি হৃদয় তব এত উদ্বেলিত ? পুষ্পমালা-শিবনাথের দ্বিতীয় কবিতা পুস্তক “পুষ্পমালা” ভবানীপুর বাসকালে ১৮৭৫ সালে রচিত হয়। ইহার অধিকাংশ কবিতা সেই সময়কার ‘সমাদশী’ কাগজে প্ৰকাশিত হইয়াছিল। শিবনাথের কবিতার মধ্যে পুষ্পমালার কবিতাগুলি অত্যুৎকৃষ্ট। ৷ বঙ্গ সাহিত্যে এই কবিতাগুলির তুলনা নাই। শিবনাথের তখন যৌবনকাল, হৃদয়ে কবিত্বের উচ্ছাস কাণায় কাণায় উঠিয়াছে। এই সময় তিনি কবিত্বের বেঁটাকেই কবিতা লিখিতেন-লোক শিক্ষক, উপদেষ্টা, আচাৰ্য্য তখনও হইয়া উঠেন নাই ; সুতরাং শিবনাথের কবিত্ব শক্তির উচ্চতম বিকাশ দেখিবার স্থান পুষ্পমালা । শিবনাথ হেমচন্দ্রের সমসাময়িক-সাহিত্য জগতে হেমচন্দ্রের কবিতার যে আদর হইয়াছে শিবনাথের কবিতার তাহা কখনো হয় নাই। তার প্রধান কারণ র্তায় ধৰ্ম্মান্তর গ্ৰহণৰূপ s অপরাধের জন্য জনসাধারণের আক্ৰোশ। শিবনাথের লেখার ভিতর কেবল কবিত্ব নয়-হৃদয়ের প্রত্যক্ষ অনুভূতি-সজীব, সতেজ সুমধুর RR