পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


\ শিবনাথ-জীবনী । DBBDBS S Y D BDDD iDBBDB DBSS SBDD BBiS DD জন্মগ্রহণ করিয়াছিলাম বলিয়া ঠাকুরদাদা আমায় অত্যন্ত ভালবাসিতেন। আর আমার পিতৃ পরিবারে পুত্র অপেক্ষা কন্যার অধিক আন্দর । আমার তিন পিসির যা আদর ছিল, আমার পিতার তার এক অংশও ছিল না, কাজেই আমি নাতনি হইয়াও নাতির অধিক আদর পিতামহেব নিকট পাইয়াছি । আমাব বিবাহের পূর্বে কখন কখন কলিকাতায় তাহারা যখন থাকিতেন, আমি ঠাকুরদাদা ঠাকুরমাকে দেখিতে যাইতাম। আমাকে পাইলে উভয়েই সুখী হইতেন, দুজনেই আমাকে ডাকিয়া নানা গল্প করিতে ভাল বাসিতেন। আমাকে ঠাকুরদাদা একদিন চুপিচুপি বলিতেছেন “দেখ, ও চোকী (ঠাকুরদাদার প্রদত্ত ডাক নাম ), আইবড় যেন থাকিস না, সুব্রাহ্মণ দেখে বিয়ে করিস, বুঝলি ? তুই প্ৰণাম করলে কি বলে যে আশীৰ্ব্বাদ করব ভেবে পাই না । জন্ম এয়োস্ত্রী হও” এহঁত এক বাধা আশীৰ্ব্বাদ জানি, তা মুখে আসে বলতে পারি না, ভয় হয়। পাছে বা বলে বসি “জন্ম আইবড় হও”-বিয়ে না হলে কি চলে, তোদের যে কি কাণ্ড!” ইত্যাদি। আমি শুনে খুব হাসতে আরম্ভ করলাম। ঠাকুরমা আর এক ঘরে কি কাজ করছিলেন। তিনি আমার মুখের ভাব ও হাসি দেখে বুঝলেন কি ভাবের কথা হচ্চে-অমনি তিনি বলে উঠলেন “ওরে চোকী ! কুড়ো কি বলছেরে ? তোকে বিয়ে করতে বলছে ? না, খবরদার অক্ষন কৰ্ম্ম করিস নি, কালভৈরব ডেকে আনিস নি। সেই নয় বছরের মেয়ে আমার স্কন্ধে ঐ কালভৈরব যে চড়েছেন আমার সারা জীবনটা নাকাল করলে। তোদের ভাল কিছু দেখি না, কেবল যে মেয়ে গুলোকে ধরে বিয়ে দিতে হয় না। এটা ৰভু ভাল নিয়ম।