পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भिवनाथ-खौदनी । ف۹ নাথকে কারো কিছু বলিবার উপায় ছিল না। কলিকাতায় শেষ বয়সে যখন আসিতেন পুত্রবধুদিগের হাতের জল থাইতেন না। বলিতেন—“তোদের কি জাত আছে।” একদিন বড়বন্ধু বলিলেন “মা, আপনার ছেলের জন্যই তা আমাদেব জাত গেছে।” গোলোকমণি অমনি গর্জন করিয়া উঠিলেন-“কি বলিস, আমার ছেলের জাত গেছে ? আমার ছেলের জাত কে মারতে পারে ? ও জাত দিলে লোকে জাত পায়, জাত তোদেরই গেছে।" বধুরা শাশুড়ী ঠাকুরাণীর এমন অদ্ভুত যুক্তি শুনিয়া চুপ করিয়া বহিলেন। কথায় কথায় বলিতেন-“আমার ছেলের কপালে ‘জয়পত্র’ লেখা আছে, ওর সব ভাল ।” একদিন গোলোক মণির সাধ হইল ব্ৰহ্মমন্দিরে গিয়া ছেলের উপাসনা উপদেশ শুনিবেন। নাতনিকে বলিলেন“দেখ আজি আমি মন্দিরে গিয়ে শুনব তোর বাপ কি বলে ।” নাতনির মহা আপত্তি ঠাকুরমাকে মন্দুিরে লইয়া যাওযা হইবে না, এসে ঠাট্টা করিবেন, এই ভয় । গোলোকমণি ছাড়িবার পাত্রী নন, মন্দিরে গিয়া সম্মুখের বেঞ্চে বসিয়া ছেলের কথা শুনিতে লাগিলেন। শিবনাথের উত্তেজনাময় স্বাৰ্থ ত্যাগের কথা শুনিয়া মাথা নাড়িতে লাগিলেন । শিবনাথ এক একটা কথা বলেন তিনি তার উত্তর দেন । শিবনাথ যেই বলিলেন “তোমরা সকলো লাভ ক্ষতির গণনা না করে বঁাপ দিয়া পড়।” গোলোকমণি আর থাকিতে পারিলেন না, বলিয়া উঠিলেন-“বেহ্মজ্ঞানীরা তোমার মত এত বােকা নয়, যা পড়বার তুমিই পড়েছ ওদের পড়তে বয়ে গেছে।” বাড়ীতে আসিয়া নাতনী ঠাকুরমাকে তিরস্কার করিতে লাগিল“ঠাকুরমা আর তোমাকে কখন যদি মন্দিরে নিয়ে গেছি, তোমার ছেলেকে বেদীতে দেখে তুমি ভেবেছ ঘর আর কি। ও যে একটা