পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8રે विन्ध्य-दौ । গৃহিনীর পাখী আর বিড়াল দুটো কি তিনি গেছেন বলে না খেয়ে মরে যাবে ? ওদের জন্য দুধ রোজ কর।” কন্যা কিছুতেই সে প্ৰস্তাবে সম্মত নহেন দেখিয়া বৃদ্ধ ব্ৰাহ্মণ রাগিয়া অস্থির। আর একদিন রাত্রে বিড়াল ছানা দুটী বাহিরে ভাকিতেছে, হরানন্দ কনসাকে ভাকান্ডাকি আরম্ভ করিলেন - “কুসী, গালচি দুলচি কেন কঁদে রে, ওদের বাহিরে শীত করছে!” কন্যা বলিলেন-“না ওদের মা হয়ত কোথায় গেছে তাই কঁাদিছে । এখনি চুপ করবে।” হরানন্দ সে কথায় সন্তুষ্ট হইতে পারিলেন না । বাহিরে গিয়া বিড়াল ছানা দুটা কোলে করিয়া বিছানার ভিতব শুইলেন । তবু তারা ডাকিতে লাগিল, তখন বলেন—“ওরে কুসী, ওরা শিশু কি না, উদবের পীড়া হয়ে থাকবে, কি করা যায় दन्ड ?” কুসুম বলিলেন—“করা আর কি যায় তুমি কবিরাজের বাড়ী যাও বিড়াল শিশুর উদবের পীড়ার ওষুধ আনতে ; নযত ওদের পেটে তেল মালিশ করে ।” হরানন্দ বিড়াল শিশুর সেবায় সারারাত কাটাইলেন । প্ৰচণ্ড যার রাগ, "ঠার श्नग्न এমন কোমল ৷৷ ১৩১৮ সালে ২৭এ শ্ৰাবণ হরানন্দ পরলোক গমন করেন। মৃত্যুর কিছু দিন পূর্বে শিবনাথ পিতাকে দেখিয়া আসিয়াছিলেন, কিন্তু মৃত্যুর সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন না । শেষ দিনে বার বার বলিতে লাগিলেন-“বড় দরকার ছিল। হায়, হায়, তার সঙ্গে দেখা হল না।” এমনি হরানন্দের মনের তেজ যে যে দিন যান সেদিনও শয্যায় ঠাকে শয়ন করান কঠিন, পীড়িতে ঠেস দিয়া বসিয়া রহিলেন, ५श्न कि লাঠি ধরিয়া বারান্দায় একবার বেড়াইয়া আসিলেন, পা ঠিক পড়ে না, টলমল