পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8 শিবনাথ-জীবনী । ii DBDDBEES DBBDB DBBDBDB SSYuuDB DBDD SDDBDB অত্যন্ত বেশী আহার করাইতেন, সেইজন্য অতি স্থলোদর ছিলেন। পাঁচ বৎসর বয়সে শিবনাথের হাতে খড়ি হয়। যতদিন না হাতে খড়ি হয়, ততদিন খেলাধূলা করিয়াই বেড়াইবার কথা, শিবনাথ তাহাই করিতেন। বাল্যাবধি প্ৰপিতামহের নিত্যসঙ্গী ছিলেন। ডালি আসিলেই তিনি ‘বাবা’ বলিয়া চীৎকার করিতেন। শিবনাথ আসিলেই তাহার হাতে ডালি দিয়া জননীকে দিতে বলিতেন এবং ইচ্ছামত সন্দেস খাইতে বলিতেন। অধিকাংশ সময় শিবনাথ সমুদায় সন্দেশ খাইয়া কেবল সারা খানি রান্নাঘরের দাবায় ছুড়িয়া দিয়া বলিতেন। ‘অমুকেব। বাড়ী হতে ডালি এসেছিল, এই যে সরা।” মা তখন পেঢ়ক ছেলেকে মারিবার জন্য যাইতেন, ততক্ষণে শিবনাথ এক দৌড়ে পাড়ী। পাগর হইয়া পালাইতেন । প্রপিতামহের পূজা শেষ হইলে নৃত্যের সময় আবার শিবনাথের ডাক পড়িত, তখন আবার, দুজনে হাত ধরাধরি করিয়া নৃত্য! ভাত খাইবাব সময় রোজ পাতের কাছে বিড়াল তাড়াইবার জন্য বসিতেন । যখন দুধ কলা দিয়া ভাত মাখা হইত, তখন নিজেই বিড়াল হইয়া আস্তে আস্তে হাত বাড়াইয়া খাইতে বসিতেন। যেদিন দৈবাৎ হাতে হাত ঠেকিয়া যাইত, সেদিন বৃদ্ধের আহার সেখানেই শেষ হইত। তিনি হাঃ হাঃ করিয়া হাসিতে হাসিতে “বাবা খাও” বলিয়া উঠিয়া পড়িতেন। এদিকে মা আসিয়া পৃষ্টে এমন এক চাপিটাঘাত করিতেন যে ভোজনের আনন্দ, ক্ৰন্দনে শেষ হইত ! শৈশবে শিবনাথ একটু কিছু হইলেই মূৰ্ছা! যাইতেন। পাড়া গায়ে যাকে রস তাড়কা বিলে, বড় হইলে গ্নস তাড়কা সারিয়া যায়।