পাতা:পণ্ডিত শিবনাথ শাস্ত্রীর জীবনচরিত.pdf/৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তৃতীয় অধ্যায়। VS বোনটাকে প্ৰাণের মত ভালবাসিতেন, উন্মাদিনীকে একদণ্ড না দেখিলে অস্থিত হইতেন-যা কিছু পাইতেন উন্মাদিনীর জন্য আনিতেন। রাত্রে উন্মাদিনীর গলা না জড়াইয়া শুইতেন না। সে শিবনাথকে “পাগগা দাদা, অর্থাৎ পাগলা দাদা” বলিয়া ডাকিত। শিবনাথ কলিকাতায় আসিবার সময় উন্মাদিনীকে ছাড়িয়া আসিতে বড় কষ্ট পাইয়াছিলেন-তখন তাহার মনে হইয়াছিল যে “কে তঁর বুকে ছুরি বিধাইয়া দিল ।” ছুটীর সময় যখন বাড়ী যাইতেন, তখন হাটিয়া অনেক ক্রোশ আসিতেন, ধূলিধূসরিত মুক্তি লইয়া বাড়ীতে প্ৰবেশ করিয়াই প্ৰথম কথা “মা, উন্মাদিনী কোথায়?” যদি শুনিতেন পাড়ায় খেলিতে গিয়াছে তখনই সেই পায়ে সেই ক্লাস্তু অবসন্ন দেহে ছুটিয়া যাইতেন, সে প্রসন্নমূৰ্ত্তি বোনটীকে কাধে করিয়া হাসিতে হাসিতে বাড়ী ফিরিতেন। ভাই বােনের তখন যে কি আনন্দ হইত। তাহা অবর্ণনীয়। সেই উন্মাদিনী শিবনাথের আদরের বোন উন্মাদিনী! পাঁচ বৎসরের বালিকা বেড়াইতে গিয়া লীচু BDBD BD DDiLYSLDB DB BDSSYiBDB DDBD DBD BBB শিবনাথের শোক অবর্ণনীয়—তিনি চিরজীবন লীচু খাওয়া সহ করিতে পারিতেন না । কতবার আমাদের বলিয়াছেন “আমার দুৰ্গা প্ৰতিমার মত সুন্দর বোনটী লীচু খেয়ে মারা গেল।” বাল্যকালে শিবনাথ আর উন্মাদিনী প্ৰতিমা ভাসান দেখিতে গিয়াছিলেন, উন্মাদিনীকে পালকীর ছাদে দাড় করাইয়া দেওয়া হইয়াছিল--তখন লোকেরা বলিয়াছিল “পালকীয় উপরের প্রতিমা দেখিব না ঐ প্রতিমা দেখিব। সেকথাও শিবনাথ বলিতে ভাল বাসিতেন, অন্যান্য ভগ্নিদিগকেও শিবনাথ অত্যন্ত ভালবাসিতেন। নিজে বোনেদের বিদ্যালয় হইতে আনিতে যাইতেন, গ্ৰীষ্মকালে