সাদা কাগজে এরি নকল নিচ্ছেন অমোদের এই মহিলা আর্টিষ্ট!
উপহাসকে সেদিন আর পুরু পাহাড়ী-চোগার মধ্যে ঢেকে রাখা গেলনা। সে একটা অকাল-বাদলের আকার ধোরে বাতাসে কুয়াসায় ও জলের ঝাপ্টায় চিত্র-কারিণীর রং, তুলি, কাগজপত্র উড়িয়ে নিয়ে, অবশেষে তাঁর অতি-আবশ্যকীয় রং-মেশাবার জল-পাত্রটি পর্য্যন্ত উল্টে দিয়ে, দুরন্ত একটা পাহাড়ী-ছাগলের পিছনে-পিছনে পলায়ন করলে একেবারে গিরিশৃঙ্গে।
এই দলের এক আর্টিস্টের কতকগুলো ছবি নিয়ে একটা লোক কোন্-একটা পাহাড়ে শিল্প প্রদর্শনী খুলেছে! যিনি কবি, যিনি কর্ম্মী তিনি ঐ নীল আকাশ-পটে আলো-অন্ধকারের টান্ দিয়ে ছবি সৃষ্টি করছেন; আর আমরা যারা কবিও নই, শিল্পীও নই, ঐ আসল ছবিগুলো দেখে একটা-একটা জাল দলিল প্রস্তুত কোরে নিজেদের নামের মোহরটা খুব বড়-কোরেই তাতে লাগিয়ে দিচ্ছি —নির্লজ্জভাবে।
মানুষ সে মানুষই, বিধাতা তো নয় যে তার সৃষ্টিটা বিধাতারই সমান কোরে তুলতে হবে? মানুষের শিল্প মানুষকে আগাগোড়া স্বীকার কোরে বিশহাত দশমুণ্ডু অথবা বিধাতার গড়া নরনারীমূর্ত্তির চেয়ে সুন্দর হয়ে যদি দেখা দেয় দিক্, তার মধ্যে প্রবঞ্চনার পাপ তো ফুটে ওঠে না! কিন্তু তুষার— পর্ব্বত না হয়েও যেটা তুষারের