এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
বিচরণ
ঐযে ভাঙা বাংলাটা ঐটেই যে এ-বাগান প্রথম বানিয়েছিল তার; ওদিকে আরো অনেকটা বাগান ছিল, বরফে ধ্বসিয়ে দিয়েছে; আমি ছোটবেলায় সেই বাগান দেখেছি। মালী যেদিক দেখালে সেদিকে তুষার-পর্ব্বত পর্য্যন্ত নির্ম্মল একটি শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নেই। এরি ধারটিতে সেই ভাঙা বাংলা; ভাঙনের গা-বেয়ে একটি গোলাপ-লতা ভাঙা ঘরখানার চালের উপর দিয়ে একেবারে তুষার-পর্ব্বতের দিকে ঢলে পড়েছে—ফুলের একটা উৎস! এর কাটায়-কাঁটায় ফুল, গাঁটে গাঁটে ফুল,—পর্ব্বতের শিখরে এ যেন একটা ফুলের স্বপ্ন! বসন্তের বুল্বুল্ নয়, তুষারের সাদা পাথী একে ডেকেছে— শূন্যতার ঐ ওপার থেকে!
* * * *
অবরোহণ
চলা-বলা সব বন্ধ কোরে যা-কিছু কুড়োবার কুড়িয়ে, যা-কিছু গুড়োবার গুড়িয়ে বসেছি। পাহাড়ের নীচে থেকে কুলীর সর্দার চীৎকার কোরে ডাক্ছে—‘ফাল্তো, ফাল্তো! হারেরে বেগার কুলী।’
সমাপ্ত
১৪৩