( ১৩ )
হুইতে আদেশ করিলেন। অবগাহনের অগ্রে ধর্ম্মাত্মার কৃপা প্রাপ্ত হওয়া সাধারণ নিয়মের বহির্ভুত হইলে ও উক্ত প্রয়োজন হেতুক তাহা প্রদত্ত হইয়া ছিল। ঈশ্বরের উচিৎ বোধ হইলে তিনি সাধারণ নিয়মের বিরুদ্ধে আশীর্ব্বাদ করিতে পারেন কিন্তু এ বিষয়ে মনুষ্যের কোন অধিকার নাই মনুষ্যকে অবশ্য ঈশ্বর স্থাপিত নিয়মাধীন হইতে হইবে নতুবা সে কখন অঙ্গীকৃত আশীর্ব্বাদের অংশী হইতে পারিবেনা। ইলাইসা ভবিষ্যদ্বক্তা ঐ নিয়মানুসারে ন্যামান্কে যে আদেশ করিয়া ছিলেন তাহা ঐ ব্যক্তি পালন করাতে সে আপন কুণ্ঠরোগ হইতে মুক্ত হইয়াছিল।
ঈশ্বরের ইচ্ছা হইলে তিনি অন্য মতে ঐ রোগ সুস্থ করিতে পারিতেন কিন্তু যে পর্য্যন্ত ন্যামান্ ঐ নিয়মানুসারে কার্য্য না করিয়াছিল সে পর্য্যন্ত ঐ আশীর্ব্বাদের অংশি হইতে পারে নাই। ঐ মত আমরা যদি সুসমাচারের বিধি পালন করি তবে অবশ্য তাহার আশীর্বাদের অংশি হইব নতুবা তজ্জন্য ঈশ্বরকে উত্তেজনা করণে আমাদিগের কোন অধিকার নাই। প্রভুর আজ্ঞানুসারে না চলিয়া কেবল মুখে তাঁহাকে প্রভু বলা মুঢ়তাপে