( ২১ )
র্ব্বাদ প্রাপ্ত হইয়াছিল। ধর্ম্ম পুস্তক হইতে অবগত হইতেছি যে শ্যামারীয়া নগরের অনেক স্ত্রী পুরূষ কিলিপ্ কর্তৃক অবগাহিত হইয়া আনন্দার্ণবে মগ্ন হইয়াছিল কেননা তাহারা বিশ্বাস ও মনঃ পরিবর্ত্তন পূর্ব্বক ব্যাপ্তিস্মের দ্বারা পাপ মোচন প্রাপ্ত হইয়া পবিত্রাত্মার কৃপার অংশাধিকারি হওত তাঁহার রাজ্য দর্শন করিতে আরম্ভ করিয়াছিল। এস্থলে আমাদিগের ত্রাণ কর্ত্তার বচন স্মরণ করা উচিৎ কেন না তিনি কহেন মনুষ্যের পুনর্জ্জন্ম না হইলে তাহারা ঈশ্বরের রাজ্যে দর্শন করিতে পারেনা। এ নিমিত্ত শ্যামেরীয়া বাসিরা অবগাহন দ্বারা প্রথম জন্ম প্রাপ্ত প্রযুক্ত বিশ্বাস রূপ চক্ষুতে জগদীশ্বরের রাজ্যে নানা প্রকার ফল ও আশীর্ব্বাদ এবং মহিমা দৃষ্টি করণ ক্ষম হইয়াছিল কিন্তু তৎকালে তাহারা দ্বিতীয় জন্ম অর্থাৎ পবিত্রাত্মার কৃপা প্রাপ্ত হয় নাই এই হেতুক তাহারা সেই সমএ সুসমাচারের প্রচুর ফলের অংশি হইতেও ইশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করিতে পারিয়াছিলনা। অপর যে সময়ে যেরূশেলামস্থ প্রেরিতগন ফিলিপের শ্যামেরিয়া নগরে কায্য সকল হইবার সম্বাদ শ্রবণ করিয়া তথাকার লোকদের উপর হস্তার্পণ করনার্থে পিতর এবং