পাতা:পলাতকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিষ্কৃতি যে ছিল তার ছেলেবেলার খেলাঘরের সাথি অাজ সে কেমন করে জলস্থলের হৃদয়খানি দিল ভরে ! অরূপ হয়ে সে যেন আজ সকল রূপে রূপে মিশিয়ে গেল চুপে চুপে। পায়ের শব্দ তারই মর্মরিত পাতায় পাতায় গিয়েছে সঞ্চারি। কানে কানে তারই করুণ বাণী মৌমাছিদের পাখার গুনগুনানি । কী দেখে মা, শেল বাজে তার বুকে । না-বলা কোন গোপন কথার মায় মঞ্জুলিকার কালো চোখে ঘনিয়ে তোলে জল-ভরা এক ছায়া ; অশ্র-ভেজা গভীর প্রাণের ব্যথা এনে দিল অধরে তার শরংনিশির স্তব্ধ ব্যাকুলত । মায়ের মুখে অন্ন রোচে নাকো— কেঁদে বলে, ‘হায় ভগবান, অভাগীরে ফেলে কোথায় থাকো ! একদা বাপ দুপুর বেলায় ভোজন সাঙ্গ করে গুড়গুড়িটার নলটা মুখে ধরে ঘুমের আগে, যেমন চিরাভ্যাস, 8 \o