পাতা:পলাতকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পলাতকা ব্রহ্মচর্যব্রত আমার কাছেই শিক্ষা যে ওর। নইলে দেখতে অন্তরকম হ’ত । আজকালকার দিনে সংযমেরই কঠোর সাধন বিনে সমাজেতে রয় না কোনো বাধ ; মেয়েরা তাই শিখছে কেবল বিবিয়ানার ছাদ ।” স্ত্রীর মরণের পরে যবে সবেমাত্র এগারো মাস হবে গুজব গেল শোনা, এই বাড়িতে ঘটক করে আনাগোনা। প্রথম শুনে মঞ্জুলিকার হয় নিকো বিশ্বাস ; তার পরে সব রকম দেখে ছাড়লে সে নিশ্বাস । ব্যস্ত সবাই, কেমনতরো ভাব— আসছে ঘরে নানারকম বিলিতি আসবাব । দেখলে বাপের নতুন করে সাজসজ্জা শুরু, হঠাৎ কালে ভ্রমরকৃষ্ণ ভুরু, পাকা চুল সব কখন হল কটা, চাদরেতে যখন-তখন গন্ধ মাখার ঘট । মার কথা আজ মঞ্জুলিকার পড়ল মনে বুক-ভাঙা এক বিষম ব্যথার সনে । Q о