পাতা:পলাতকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভোলা উঠত বেজে তারই খেলার অশাস্ত গোলমালে। বৃষ্টিধারা সাথে নিয়ে মোদের দ্বারে ঝড় দিত যেই হানা কাটিয়ে দিয়ে বিজুর মায়ের মানা অট্ট হেসে আমরা দোহে মাঠের মধ্যে ছুটে গেছি উদাম বিদ্রোহে । পাকা অামের কালে তারে নিয়ে বসে গাছের ডালে দুপুর বেলায় খেয়েছি আম করে কাড়াকড়ি— তাই দেখে সব পাড়ার লোকে বলে গেছে ‘বিষম বাড়াবাড়ি । বারে বারে আমার লেখার ব্যাঘাত হত, বিজুর মা তাই বেগে বলত তাবে, “দেখিস নে তোর বাবা আছেন কাজে ? বিজু তখন লাজে বাইরে চলে যেত। আমার দ্বিগুণ ব্যাঘাত হত লেখাপড়ায় ; মনে হত, টেবিলখানা কেউ কেন না নড়ায় ? ভোর না হতে রাতি সেদিন যখন বিজু গেল ছেড়ে খেলা, ছেড়ে খেলার সাথি, মনে হল, এতদিনে বুড়ো-বয়সখান। পুরল ষোলো আন । কাজের ব্যাঘাত হবে না আর কোনোমতে, চলব এবার প্রবীণতার পাকা পথে Jళలి