চল্লিশ রজনী শেষে
জীবনের প্রথম পাঠ শরীর-বিজ্ঞান
সবুজ ঘাসের মাঠে অবারিত ধান,
ঝিরিঝিরি রজঃস্বলা গোপাট জীবন
প্রমত্তা নদী ছিল কাছাকাছি স্বজন।
কাদাময় সময়ে ছিল ধুলোর আসন
ঢেউ ঢেউ বাতাসে জেগে উঠা হাওর।
মাটি পাঠে পেয়ে গেছি চাষার জীবন
কর্ষণে শিখে গেছি অমৃত রোপণ।
নারী ও নদীর প্রেমে ধুয়া পাপগন্ধ
মমতায় সিদ্ধ এক অবিনাশী জীবন,
আকাশের ওপরে থাকে যে মহাকাশ
ভেতরে উড়তে থাকা নক্ষত্র মানুষ।
পাতার শিরার পাঠে কাছাকাছি আসা
মূলের প্রোথিত জল কিউটিক্যালে উঠা,
তোমাকে জেনেছি আমি শুধুই বাতাস
পাঠ নিই বাতাসের বাতাসেই সহবাস।
পাঠ করি নক্ষত্রের, পাঠ করি জল
অপাঠেও পাঠ থাকে তুমিই অপাঠ,
মীনপাঠে হয়ে উঠা অধরা ভীষণ
বনপাঠে এলোমেলো জংলি হরিণ।
পাঠ করি লবণের তেঁতুল উচ্ছ্বাস
তোমাতে একত্রে উভয়ের বসবাস।
নারী পাঠে জানা গেছে চমক জীবন
বিভিন্ন হাটে ছিল অজানার পাঠ,
পাঠ করি পাঠ হয়ে জেগে থাকি প্রেমে
চল্লিশ রজনী গেছে মোহিনীর পাঠে।
চল্লিশ রজনী শেষে সমাগত দিনে
আলোর পাঠ হবে দিক থেকে দিকে।
মোহাচ্ছন্ন জগতের ভ্রম থেকে ভ্রমে
আলোর জীবন যাবে সূর্যের পাঠে।
একান্ত জীবনের সাথে সহসা জেগে
জগৎ প্রেমময় হয়ে এসে ধরা দেবে।
অসংখ্য অনাগত দিনের গভীরে
পাপের শহরে ২৮